প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নির্মীয়মাণ কালভার্ট দিয়ে চলাচল বিকল্প না থাকায়
যশোরের কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়কের মাগুরাডাঙ্গা ঈদগাহসংলগ্ন এলাকায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলছে কালভার্ট নির্মাণের কাজ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় ওই স্থান দিয়ে চলাচল এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণকাজটি দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলমান। এর মধ্যে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি অর্ধেক অংশে ঢালাই দেওয়ার কাজ হলেও তা এখনো মজবুত হয়নি। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় সম্পন্ন অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
এ কারণে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ শেষ না হওয়ায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রবিবার (৩০ আগস্ট) ও সোমবার রাতে নির্মীয়মাণ কালভার্ট পার হতে গিয়ে দুটি মালবাহী ট্রাক উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় চালকরা অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও ট্রাকে থাকা মালামাল নষ্ট হয়ে যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এই সড়কের উন্নয়ন কাজের কার্যাদেশ পায় গোপালগঞ্জের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কামরুল অ্যান্ড ব্রাদার্স।
অভিযোগ উঠেছে, যশোরের মণিরামপুরের আব্দুল খালেক নামের এক ঠিকাদার তার প্রতিষ্ঠান মেসার্স দিগন্ত এন্টারপ্রাইজের নামে কাজটি কিনে নিয়ে কাজ করাচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কালভার্ট নির্মাণের কাজ চললেও কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। এই কারণে ওই স্থানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা না থাকায় কাজটিতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী বেলকাটি গ্রামের পথচারী রায়হান রনি বলেন, ‘কালভার্টের পাশের মাটি কেটে রাখা হয়েছে প্রায় দুই মাস। অথচ ঠিকাদার দ্রুত কাজ শেষ না করে ফেলে রেখেছেন। এতে চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে ঠিকাদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘একটি কালভার্ট নির্মাণ করতে সাধারণত দুই মাস সময় লাগে। কালভার্টের ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। দু-চার দিনের মধ্যেই কাজটি শেষ করার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, হালকা বৃষ্টির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দ্রুত কাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
উপজেলা প্রকৌশলী এম এ জাসির বলেন, ‘সড়কটির কাজ শেষ হয়েছে। কালভার্টের ঢালাইও শেষ। পাশে মাটি দিয়ে নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন