প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নবীগঞ্জে ঘটনার চাঞ্চল্যকর তারেক হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি সাহেল মিয়াকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যা করার পর লাশ গুম করার এই মামলার প্রধান আসামিকে মঙ্গলবার চৌশতপুর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করা হয়।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল হোসেনের দিকনির্দেশনায় অভিযানের নেতৃত্ব দেন এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল। গ্রেপ্তার হওয়া সাহেল মিয়া চৌশতপুর গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার পুত্র এবং নিহত তারেক একই গ্রামের মারফত উল্লাহর পুত্র। জানা গেছে, তারা দুজনই বন্ধু ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে সাহেল ও তারেক বন্ধুত্বের সুবাদে লাখাই উপজেলায় গিয়েছিল। এ সময় তারেকের কাছে একটি দামি আইফোন ছিল। মূলত ওই আইফোনের লোভেই সাহেল মিয়া ঠান্ডা মাথায় তার বন্ধুকে হত্যা করে এবং মরদেহ লাখাই এলাকার একটি খালে ফেলে দেয়।
এদিকে, গত কিছুদিন ধরে তারেক নিখোঁজ থাকায় তার পরিবার কোনো সন্ধান না পেয়ে প্রথমে নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও অভিযানের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
গ্রেপ্তারের পর আসামি সাহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হোসেন ও এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল নিহতের মরদেহ উদ্ধারের জন্য লাখাই থানায় যান। নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন