প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার ১৮টি থানায় আবারও একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ৮টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে কুমিল্লা নগরের আলোচিত ‘রতন গ্রুপ’ বা ‘আর স্কোয়াড’-এর সক্রিয় চার সদস্য রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আনিসুর রহমান ওরফে আনিক (১৯), যিনি এই গ্যাংয়ের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একযোগে ১৮টি থানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কুমিল্লা মহানগরসহ প্রতিটি থানা এলাকার যেসব স্থানে উঠতি বয়সী বখাটেদের উৎপাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা রয়েছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, রাতে কিশোর গ্যাংবিরোধী এই অভিযানে কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে। নগরের যেসব এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডা জমে এবং তারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করে, সেসব এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
পুলিশের দাবি, আটককৃতদের মধ্যে চারজন কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। আটক চারজনের একজন আনিসুর রহমান ওরফে আনিক (১৯)। তিনি নগরের ছোটরা মফিজাবাদ কলোনির আবুল কাশের ছেলে। আনিক রতন গ্রুপের প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনের ভাগ্নে। বর্তমানে রতন আত্মগোপনে থাকায় আনিকই গ্রুপটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে রয়েছেন। বাকি তিনজনও এই গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।
এর আগে গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছিল। ওই অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করে পুলিশ। তাদের মধ্যে ৪৫১ জনকে মুচলেকায় অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৭৩ জনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালত, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন