প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানতে পেরেছে, বিএনপি সরকার গঠন করার পর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তাদের অব্যাহতি দেওয়ার পেছনে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
রবিবার (৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন : সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে টিআইবি।
টিআইবি জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটি থাকার পরেও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে রাজনৈতিক বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে যেমন একজনকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
শিক্ষা খাতকে নিয়ে টিআইবি তাদের পর্যবেক্ষণে জানায়, সহ-উপাচার্য, ট্রেজারার, ডিন এবং প্রভোস্ট পদে রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিবর্তন ঘটেছে। সরকার গঠনের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন, সংঘর্ষ এবং সহিংসতার ঘটনা ঘটে। উপাচার্য নিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা ইত্যাদি ইস্যুর কারণে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনও দেখা যায়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুইটি ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ এবং সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে।
টিআইবি আরো জানায়, শিক্ষাখাতে সরকারের কিছু উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে সার্চ কমিটির পুনর্গঠন, প্রতি বছর বিদ্যালয়ে পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল করা, লটারির পরিবর্তে বিদ্যালয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া, শিক্ষকদের প্রতিবন্ধী শিশুবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন