বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৫ এম
আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ১০ টাকা মূল্যমানের বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবমুক্ত করেছেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খামে স্বাক্ষর করেন তিনি এবং বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করে তা অবমুক্ত করেন। একই সঙ্গে ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম এবং পাঁচ টাকা মূল্যমানের একটি ডেটা কার্ডও তিনি অবমুক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট ও একটি উদ্বোধনী খাম উন্মোচন করেন।’
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের উদ্যোগে প্রকাশিত এই স্মারক ডাকটিকিট দেশের সব ডাকঘর থেকে বিক্রি করা হবে। অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান এবং ডাক বিভাগের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০০৮ সালের পর থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগে জয়ের অপেক্ষা শেষ হলো ফেনেরবাচের। দীর্ঘ ১৮ বছরের বিরতির পর ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করল তুরস্কের এই ক্লাব। ইস্তাম্বুলে নিজেদের মাঠে ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুলকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে তারা তাদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে।
মজার বিষয় হলো, ফেনেরবাচের পূর্ববর্তী জয়টিও এসেছিল ইংলিশ ক্লাবের বিপক্ষে। ২০০৭-০৮ মৌসুমের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে তারা চেলসিকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছিল। সেই জয়ের ১৮ বছর পর আবারও ইংলিশ প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে জয় পেল তুর্কি ক্লাবটি।
লিভারপুলের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুতে ফেনেরবাচের পারফরম্যান্স ভালো ছিল। তবে ২৫ মিনিটে মিডফিল্ডার ট্রে নিয়োনির গোলে লিভারপুল এগিয়ে যায়। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর ভলি ফেনেরবাচের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে গোলরক্ষকের অগোচরে জালে প্রবেশ করে। ১৯ বছর বয়সী নিয়োনির এটি লিভারপুলের জার্সিতে প্রথম গোল।
তবে লিভারপুলের সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ২৯ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সমতা ফেরান মেসন গ্রিনউড। তাঁর শট ফেনেরবাচের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের জন্য কিছুই করার সুযোগ রাখেনি।
বিরতির পর দুই দলের মধ্যে লড়াই চলতে থাকে। ৬৬ মিনিটে লিভারপুল কোচ আন্দোনি ইরাওলা একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন। মাঠে প্রবেশ করেন ফ্লোরিয়ান ভির্টৎজ, আলেক্সান্দার ইসাক ও কোডি গাকপো। তিন মিনিট পরই তাঁদের যৌথ প্রচেষ্টায় লিভারপুল আবারও এগিয়ে যায়। গাকপোর ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ইসাক। এটি লিভারপুলের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে তাঁর প্রথম গোল।
তবে শেষ ১৭ মিনিটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ফেনেরবাচ। ৭৩ মিনিটে সমতা ফেরান আর্চি ব্রাউন। ডানদিক থেকে এনগোলো কান্তের বাড়ানো বল বক্সে পেয়ে যান ব্রাউন। কোডি গাকপোর গায়ে লেগে বলের দিক পরিবর্তন হলে তিনি সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি।
এরপর ৭৯ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন বদলি নামা ভেদাত মুরিকি। ব্রাউনের ক্রসে উঁচুতে লাফিয়ে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান এই কোসোভান স্ট্রাইকার। চ্যাম্পিয়নস লিগে এটিই তাঁর প্রথম গোল।
এই জয়ের মাধ্যমে ফেনেরবাচ ১০ ম্যাচের জয়খরা কাটিয়েছে। অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগে লিভারপুল এবার চার ম্যাচে ১০ গোল হজম করেছে। সর্বশেষ তিন ম্যাচে প্রতিটি ম্যাচে অন্তত তিনটি করে গোল হজম করেছে ইংলিশ ক্লাবটি।
ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ক্লাবটির ইতিহাসে টানা তিন ম্যাচে তিন বা তার বেশি গোল হজমের ঘটনা এটি প্রথম। এছাড়া, চ্যাম্পিয়নস লিগে তুরস্কের ক্লাবগুলোর বিপক্ষে টানা পাঁচটি অ্যাওয়ে ম্যাচে হারার অভিজ্ঞতাও তাদের হলো।
তবে লিভারপুল কোচ ইরাওলার জন্য সবচেয়ে হতাশার পরিসংখ্যান হতে পারে অন্যটি। বড় ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় এটি তৃতীয়বার, যখন কোনো ম্যাচে দুবার এগিয়ে থেকেও হারতে হলো দলটিকে। এর আগে ২০১৮ সালে রোমা ও ২০২৫ সালে পিএসভির বিপক্ষে একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল লিভারপুলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। তিনি আজ সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে প্রথমে হেলিকপ্টারে বাগেরহাটের মোংলায় যাবেন। এরপর সেখান থেকে সড়কপথে খুলনায় পৌঁছাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মোংলায় দুটি এবং খুলনায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়া তিনি বাগেরহাট জেলা সদরে হজরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। মোংলার কর্মসূচি শেষ করার পর সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী খুলনায় যাবেন। খুলনা স্টেডিয়ামে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন করবেন তিনি। সারা দেশে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।’
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার হাজার ৬৮ কোটি ২৩ লাখ টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। আজ মোংলা বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি ‘মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
এ প্রকল্পটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) বাস্তবায়ন করছে। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) প্রকল্পটির ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন গতি সঞ্চার হবে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে চীন সরকার এক্সিম ব্যাংক অব চায়নার মাধ্যমে প্রায় ৩৩৫.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সফট লোন সহায়তা দিচ্ছে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধি, সিআরসিসি ও সিসিইসিসির প্রতিনিধি, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের আওতায় ৩৬৮ মিটার সম্মিলিত দৈর্ঘ্যের ১০ ও ১১ নম্বর দুটি আধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নতুন স্থাপনাগুলোর মাধ্যমে বছরে প্রায় তিন লাখ ৯৪ হাজার টিইইউ (টোয়েন্টি ফিট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার আয়তনের লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড, ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার আয়তনের খালি কনটেইনার ইয়ার্ড এবং চার হাজার ২৬০ বর্গমিটার আয়তনের বিপজ্জনক পণ্য হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে।
মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা জোরদার এবং জাতীয় অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নে মোংলা বন্দর আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালীর অবদান বহুমাত্রিক। উপকূলীয় বনের সবুজ বেষ্টনী নদীর দু’পারে অবস্থিত জনবসতিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে আসছিল। একসময় এ নদীতে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি ছিল। কিন্তু দখল ও দূষণের কারণে নদীটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। তাই বাকঁখালী নদীকে এ সংকট থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য উচ্চ আদালতের নির্দেশনার বাস্তবায়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছার প্রয়োজন রয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) কক্সবাজার শহরের প্রধান নদী বাঁকখালীকে দখল ও দূষণের কবল থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) আয়োজিত ‘দখল ও দূষণে বিপর্যস্ত বাঁকখালী নদী: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা।
সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক, কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী পরাক্রম চাকমা, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আতিকুল রহমান, এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মশিউর রহমান। এছাড়া নদী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বেলার লিগ্যাল কোঅর্ডিনেটর এস. হাসানুল বান্না।
সভায় পরিবেশকর্মী শান্তনূর মন্তব্য করেন, বাকঁখালী নদীর কস্তুরা ঘাটে প্যারাবন কেটে দখল হওয়া জায়গা দখলমুক্ত করা সম্ভব হলেও, প্যারাবন আর ফিরে আসেনি। তিনি প্যারাবন ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের কক্সবাজার প্রতিনিধি সুনীল বড়ুয়া জানান, বাঁকখালী নদীর রামু চেংরাঘাটা অংশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে। তিনি তামাক চাষও চলছে উল্লেখ করে বালু উত্তোলন ও তামাক চাষ বন্ধের অনুরোধ জানান।
সংবাদকর্মী সৌরভ দেব বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অবৈধ দখলদারদের বৈধতা দেয়। তিনি অবৈধ দখলদারদের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান এবং এসিল্যান্ড অফিস কর্তৃক খাজনা নেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক বলেন, বাঁকখালী নদীর সব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে, নাহলে সমস্যাগুলো সমাধানের অযোগ্য হয়ে যাবে। তিনি নদীর দূষণমুক্ত পানি মানুষের প্রয়োজন এবং ফসল উৎপাদনের জন্যও প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, বাকঁখালী নদীতে ৩৫ প্রজাতির মাছ ও ১০ প্রজাতির অন্যান্য জলজ প্রাণী রয়েছে। নদীকে দূষণমুক্ত না করতে পারলে এসব মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তরল বর্জ্য নদীর পানিতে মিশে দূষিত করছে, যার প্রভাব খাদ্য শৃঙ্খলেও পড়ছে। তিনি নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।
সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মশিউর রহমান কক্সবাজারে বালু উত্তোলন, পাহাড় কাটা এবং নদী দখল-দূষণ নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি পরিবেশ বিধ্বংসী কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা বলেন, মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের জ্বলন্ত উদাহরণ হলো এ নদী। নদী রক্ষায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় যে প্রকল্প গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা হওয়া উচিত। তিনি যেসব জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছিল, সেগুলো যথাযথ সংরক্ষণের তাগিদ দেন। বাঁকখালী নদী দখলমুক্ত না হলে শহরে জলাবদ্ধতার মতো নানা রকম ঝুঁকির আশঙ্কা করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে আবারও একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল নিক্ষেপ করে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান সমকালকে জানান, ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, আসাদ গেটের দিক থেকে একটি অটোরিকশা এসে জুলাই জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং পরে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তিনি আরও জানান, জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এর আগে, ১৪ অক্টোবর জুলাই জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে দুর্বৃত্তরা পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ