প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাতার বিশ্বকাপে দীর্ঘ ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পর, এবার নতুন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। ২০২৬ বিশ্বকাপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মুকুট ধরে রাখার মিশনে এগিয়ে যাচ্ছে তার দল।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড এই মুহূর্তে মেসির দখলে রয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন, যা তাকে জার্মানির লোথার ম্যাথিউস ও মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলার সুযোগ দিয়েছে। এ রেকর্ডটি তার অভিজ্ঞতার একটি বড় প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৩৮ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন তারকার জন্য এটি হবে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। এতগুলো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তার জন্য একটি অনন্য অর্জন, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে এবং উল্লেখযোগ্য এক অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
এবারের আসরে মেসির জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হিসেবে ধরা হচ্ছে উত্তর আমেরিকার কন্ডিশনের সঙ্গে তার মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। ২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিতে খেলার ফলে, তিনি এখানকার আবহাওয়া ও মাঠ সম্পর্কে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা গ্রুপ জে-তে অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া এবং জর্ডানের মুখোমুখি হবে। কাগজে কলমে এই গ্রুপ তুলনামূলক সহজ হওয়ায় নকআউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট উজ্জ্বল।
দলে জুলিয়ান আলভারেজ ও নিকো পাজের মতো তরুণদের অন্তর্ভুক্তি আর্জেন্টিনাকে নতুন শক্তি এনে দিচ্ছে। অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের এই মেলবন্ধনে দলটি আবারও শিরোপার লড়াইয়ে নিজের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে চায়।
ইতালি ও ব্রাজিলের পর ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য এখন আর্জেন্টিনার সামনে। সেই লক্ষ্যে সবচেয়ে বড় ভরসা এখনো লিওনেল মেসি।
ফুটবল বিশ্ব আজ অপেক্ষমাণ, পরবর্তী বিশ্বকাপে এই আর্জেন্টাইন জাদুকর কি নতুন করে আরেকটি ইতিহাস লিখতে পারবেন কিনা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন