প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় অনিবন্ধিতভাবে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন এবং পোড়াতেলসহ অননুমোদিত উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে। জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত পৃথক এই দুই অভিযানে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) জেলা প্রশাসন, কুড়িগ্রাম এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, কুড়িগ্রামের যৌথ উদ্যোগে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান-১-এ ধরলা ব্রিজ সংলগ্ন কুরিয়ার বাজার এলাকায় জনৈক মো. আনোয়ার হোসেনের পরিচালিত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি অনিবন্ধিত অবস্থায় খাদ্যপণ্য প্রস্তুত করছিল। সার্বিক পরিবেশ খুবই নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন ছিল। তাছাড়া পোড়াতেল ও অননুমোদিত উপকরণ ব্যবহারের প্রমাণও মেলে। এ অপরাধে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
অন্যদিকে, দাদা মোড় সংলগ্ন মোগলবাসা রোড এলাকার ‘রজনীগন্ধা’ বেকারির কারখানায় অভিযান চালিয়ে একই ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে কারখানার পরিবেশও অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর ছিল। সেখানে পোড়াতেল এবং অননুমোদিত রঙ ও সুগন্ধি ব্যবহারের প্রমাণ মেলে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২ ধারা অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠাকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আকস্মিক এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মুল খায়ের সুমি। এই অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, কুড়িগ্রাম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। অভিযানের সার্বিক নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল দায়িত্ব পালন করে।
অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক ও কর্মচারীদের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও পরিবেশন নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রচলিত সব আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এছাড়া জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও আইনানুগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। খাদ্যে ভেজাল বা অনিয়মের তথ্য জানাতে, জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের টোল-ফ্রি নম্বর ১৬১৫৫-এ যোগাযোগ করার জন্য।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন