প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী যৌথভাবে ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর লক্ষ্যভিত্তিক বিমান হামলা চালিয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই হামলা গত বুধবার ভোরের দিকে পরিচালিত হয়েছিল। রিয়াদ জানিয়েছে, সম্প্রতি তারা দেশে হওয়া ড্রোন হামলার কঠোর জবাব দিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকমের সাথে সমন্বয় করে এই হামলা চালানো হয়েছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ এবং রিয়াদ অঞ্চলের তেল কারখানাগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো বেশ কয়েকটি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। এ ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ড্রোনগুলো ইরাকি ভূখণ্ড থেকে ইরান-সমর্থিত সন্ত্রাসী মিলিশিয়ারা উৎক্ষেপণ করেছিল বলে রিয়াদ দাবি করছে। তবে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি কোনো যুদ্ধ বা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের যোগ্য জবাব দিতে তারা প্রস্তুত।
এদিকে, এই বিমান হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি বৃহস্পতিবার সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। এটি ঘটনার মাত্র কয়েকদিন আগেই তিনি সৌদি আরবে ড্রোন হামলার ঘটনা তদন্ত করতে ইরাকি গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এছাড়া সোমবার ইরাকি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বন্ধুপ্রতীম কোনো দেশে হামলা চালানোর জন্য ইরাকের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে ইরাক সরকার পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র দলগুলোর ছাতা সংগঠন 'ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক' তাদের বিরুদ্ধে ওঠা ড্রোন হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। সৌদি আরবের এই দাবিকে তারা মনগড়া ও ভিত্তিহীন অভিহিত করে সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, সৌদি আরবের যেকোনো বোকামিপূর্ণ পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন