প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর তিস্তা সেতুতে ২৪ ঘণ্টার স্থায়ী পুলিশ চেকপোস্ট স্থাপনের দাবি স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়েছে। তারা মনে করেন, সেতুটিতে সার্বক্ষণিক পুলিশি নজরদারি নিশ্চিত হলে মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে, যা মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
গঙ্গাচড়া উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। সচেতন নাগরিকরা উপজেলায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের প্রভাব নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অল্প বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের প্রভাবের খবর স্থানীয়দের মধ্যে শঙ্কা তৈরি করেছে।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান একমাত্র যথেষ্ট নয়। তারা মনে করেন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদকের বিস্তার রোধ করা না গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও দেশের মেধাশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘এ’ সার্কেল শরীফ মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান জানিয়েছেন, মহিপুর তিস্তা সেতুতে পুলিশের টহল ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সেতুটিতে ২৪ ঘণ্টার স্থায়ী পুলিশ চেকপোস্ট স্থাপন করা গেলে মাদক পাচার ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল আখের মিঞা মন্তব্য করেছেন, “মাদকে না বলুন। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে।”
গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর সবুর জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুযায়ী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন