প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামতে সরকারের তরফে সহায়তা করা হবে বলে জানা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী দোহাজারীর ইকবাল কনভেনশন হলের সামনে ত্রাণ বিতরণের সময় তিনি এ কথা বলেন।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, "এই সময়টা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার। পানি যখন নেমে যাবে তখন উপজেলা প্রশাসন প্রতিটি এলাকায় যেতে পারবে। তখন ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য নিরূপণ করতে পারব। এই মুহূর্তে আমাদের মূল ফোকাস রিলিফ অ্যান্ড রেসকিউ। দুর্গতদের উদ্ধার করতে চাই ও তাদের কাছে খাবার পৌঁছাতে চাই।"
তিনি আরও বলেন, "পানি নামার পর পুনর্বাসন করা হবে। যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রতিটি ঘরবাড়ি মেরামতে সরকারের তরফে সহায়তা করা হবে। যাদের জমি তলিয়ে গেছে, ঘের ভেসে গেছে এবং গবাদি পশুর ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে দিতে সরকার সহায়তা করবে। যাতে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।"
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, "বন্যার কারণে জুলাই মাসের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে এনজিওগুলোকে সরকার অনুরোধ করেছে।"
এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক।
এদিন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি সকাল ১২টায় ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে শুরু হয়। পরে কেওচিয়া হাইস্কুলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন