প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী ইছামতী নদীতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর স্পিডবোটে চড়ে সীমান্ত পরিদর্শন করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ সময় তিনি দাবি করেছেন, বাইনোকুলারে বাংলাদেশের অংশে লোকজনকে ওঁৎ পেতে থাকতে দেখেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সুযোগ পেলেই তারা ভারতে প্রবেশ করবেন।
দীপাবলি উপলক্ষে রোববার হিঙ্গলগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফের ৭৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের ক্যাম্প পরিদর্শন করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তীতে তিনি স্পিডবোটে করে ইছামতী নদীর সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখেন।
সীমান্ত পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘স্পিডবোটে উঠেছিলাম। সেখান থেকে বাইনোকুলার দিয়ে দেখেছি, ওপারে সবাই ওঁৎ পেতে বসে আছে। ফাঁকা পেলেই হু হু করে আমাদের ভারতে চলে আসবে। একটা অনুপ্রবেশকারীও রাখব না আমাদের রাজ্যে। সবকটাকে ধরে ওই দেশে পাঠিয়ে দেব। খুঁজে খুঁজে বের করব সব অনুপ্রবেশকারীকে। ১৫ কিলোমিটার ধরে তল্লাশি চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটা আমাদের দেশ, ভারতীয় নাগরিকদের দেশ। ভারতীয় নাগরিক এবং পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর।’
দীপাবলি উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পথ অনুসরণ করে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দিন কাটানোর কথা জানান শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি হিঙ্গলগঞ্জ থানার কালীপূজার উদ্বোধন শেষে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে আগের রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, সে সময় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয় ছিল না। তবে বর্তমানে পুলিশের মহাপরিচালকের (ডিজিপি) নেতৃত্বে বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের মধ্যে ভালো সমন্বয় রয়েছে।
ইছামতী নদীর তীরে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়েও বিএসএফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, ৬০০ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার সহযোগিতা চেয়েছিল। কিন্তু আগের রাজ্য সরকার জমি দেয়নি। বর্তমান সরকার বিএসএফকে জমি দেওয়া শুরু করেছে।
সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন থানা নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের উৎসাহিত করতে ২০২৭ সাল থেকে ‘সীমা মিত্র সম্মান’ চালুর ঘোষণা দেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন