প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও মরক্কো। ম্যাচটি ঘিরে আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে কেবল দুই বন্ধু কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আশরাফ হাকিমির দ্বৈরথই নয়, রয়েছে আরও একটি বিশেষ দিক। মরক্কো দলে থাকা ছয় ফুটবলার খেলতে নামছেন তাঁদের জন্মভূমি ফ্রান্সের বিপক্ষে।
মরক্কোর ২৬ সদস্যের স্কোয়াডে থাকা ছয় ফুটবলার হলেন রেদুয়ান হালহাল, গেসিম ইয়াসিন, সামির এল মুরাবেত, নিল এল আয়নাউয়ি, ইসা দিওপ ও আইয়ুব বুয়াদ্দি। তাঁদের মধ্যে সকলের জন্ম ফ্রান্সে, তবে তাঁরা পরিবার থেকে মরক্কোর শিকড় ধরে এসেছেন। জন্মসূত্রে তাঁরা ফ্রান্সের নাগরিক, আর বংশসূত্রে মরক্কোর। দুই দেশের জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ দাঁড়িয়েছিল তাঁদের সামনে, কিন্তু তাঁরা শেষ পর্যন্ত মরক্কোকেই বেছে নিয়েছেন।
এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের জন্মদেশের বিপক্ষে খেলতে নামা ফুটবলারদের নিয়ে এটি মরক্কোর প্রথম ম্যাচ নয়। এর আগে শেষ ষোলোতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ডাচ-জন্ম তিন ফুটবলার। এখন ফ্রান্সের বিপক্ষে সেই সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে ছয়।
এই ছয়জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদ্দি। চলতি বছরের শুরুতে তিনি ফ্রান্স অনূর্ধ্ব-২১ দলের অধিনায়ক ছিলেন। তবে তিনি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য মরক্কোকেই বেছে নেন।
দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ থাকা প্রতিভাবান ফুটবলারদের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করার কৌশলটি কয়েক বছর ধরে অনুসরণ করছে মরক্কো। এর আগে ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া সোফিয়ান বৌফাল, রোমাঁ সাইস, মারুয়ান শামাখ, মেহদি বেনাতিয়া ও মুস্তাফা হাজ্জির মতো ফুটবলাররাও মরক্কোর জার্সি পরেছেন।
আজকের ম্যাচে তাই কেবল ফ্রান্স ও মরক্কোর লড়াই নয়, এটি অনেকের জন্য জন্মভূমির বিপক্ষে আবেগের এক বিশেষ পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন