প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২৬ : স্টেডিয়াম এলাকার অবৈধ দখল, অনিয়ম, মাদক এবং ছিনতাই রোধ করতে শুক্রবার থেকেই মাঠে নামছে মোবাইল কোর্ট। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক চরম হতাশা প্রকাশ করে এই অভিযানের ঘোষণা দেন, যা ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের বর্তমান জরাজীর্ণ এবং নিরাপত্তাহীন পরিবেশ দেখে করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুরো স্টেডিয়াম পাড়াকে আধুনিক, নিরাপদ এবং ক্রীড়াবান্ধব স্পোর্টস হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি ভেতরের সার্বিক পরিবেশ পরিদর্শন করার পর সাংবাদিকদের জানান যে, ঐতিহ্যবাহী এই ক্রীড়া অবকাঠামোগুলো তাদের কাঙ্খিত পরিবেশ হারিয়ে ফেলেছে। সন্ধ্যার পর স্টেডিয়াম এলাকায় মাদকসেবী এবং ছিনতাইকারীদের উপদ্রব বাড়তে দেখা যাচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের বিভিন্ন গেটে পুলিশ বক্স স্থাপন এবং নিয়মিত পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হবে এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে।
পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি অবকাঠামোর উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় দ্রুত ময়লা অপসারণ, রাস্তা সংস্কার এবং জরাজীর্ণ ভবনগুলোর উন্নয়ন করা হবে। একই সঙ্গে স্টেডিয়ামের দোকানগুলোর লিজ, ভাড়া এবং চুক্তিপত্র পুনর্মূল্যায়ন করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি কোথাও সরকারি রাজস্ব ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকে, তবে তা সংশোধন করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) প্রাপ্য রাজস্ব নিশ্চিত করার বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়াবিদদের বকেয়া ভাতা প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তিনি জানান যে, আইবাস পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে ২৮ জন ক্রীড়াবিদের আটকে থাকা ভাতার মধ্যে ২৬ জনের সমস্যা ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। বাকি দুইজনের জটিলতাও শীঘ্রই নিষ্পত্তি হবে এবং কোনো ক্রীড়াবিদের ভাতার অর্থ নষ্ট হবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন