প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ১নং পাংগাশিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম বারেককে ঘিরে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ইউনিয়নের একটি এলাকায় আমিনুল ইসলাম বারেক মেম্বারকে নিয়ে ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে জানা যায়, একজন বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার কথোপকথন ও দেখা করার বিষয়কে কেন্দ্র করে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে সংবাদকর্মীদের হাতে কথিত ফোনালাপের কিছু রেকর্ড এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব রেকর্ডের স্বতন্ত্র সত্যতা, সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট এবং আইনগত গ্রহণযোগ্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে এইচ এম আতিকুর রহমান (হারুন হাওলাদার), পিতা—আঃ গনি হাওলাদার, স্থানীয় বারেক মেম্বারের সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে একটি মানববন্ধন করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
মানববন্ধনে পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে আপত্তিকর ও কটূক্তিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী বর্তমানে পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির নেতা। পটুয়াখালী-১ আসনের মধ্যে দুমকি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত।
অন্যদিকে, আমিনুল ইসলাম বারেকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে স্থানীয়দের একাংশ দাবি করছেন। তাদের অভিযোগ, তিনি বর্তমানে পাংগাশিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। একই সঙ্গে তার অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামাজিকভাবে আলোচিত হচ্ছে। এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ আমিনুল ইসলাম বারেকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মানববন্ধনে একজন সংসদ সদস্যকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হয়ে থাকলে সেটিও তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, দুমকি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন এবং দুমকি উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তবে পুরো বিষয়টির প্রকৃত সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং প্রশাসন/আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন