প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আশাশুনি উপজেলার বড়দলে গাছের গড়ি ফেলে রেখে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে, যা অবহেলা ও অজানা কারণে ঘটছে। গত ৩ বছর ধরে মূল্যবান গাছের গড়িগুলো ফেলে রাখার ফলে নষ্ট হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালে আশাশুনির মানিকখালী ব্রীজ থেকে বড়দল সড়কের ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে গাছ কাটা হয়। তিনটি বৃহৎ আকারের শিশু চটকা গাছ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন সেখানে বড় একটি অংশে অবস্থান করতো। তাদের এবং শত শত পথচারীর জীবনের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে গাছগুলো কাটা হয়েছিল। কিন্তু জেলা পরিষদের কর্মীরা গাছ তিনটির গোদার অংশের বড় বড় (অনুমান ১০ ফুট করে) ৩টি গড়ি রাস্তার পাশে ফেলে রেখে বাকী কাঠ নিয়ে যান। ডালপালা বিক্রয় করা হয়েছে। গড়ি ৩টি সেখানেই পড়ে রয়েছে। মাঝে একবার গোপনে বিক্রয়ের চেষ্টা করা হলেও, স্থানীয় সচেতন মানুষের বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি। প্রায় ১৫ হাজার টাকা মূল্যের গড়ি ৩টি রৌদ্র ও বর্ষায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চলতি বর্ষা মৌসুম শেষে গড়ি ৩টি মূল্যহীন হয়ে পড়তে পারে। জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ এবং এলাকার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন কেমন? কেন জেলা পরিষদ তাদের সম্পদ সংরক্ষণ করতে ও ফেলে রেখে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারছে না? সরকারি সম্পদ কারো অবহেলা ও ভিন্ন উদ্দেশ্যে নষ্ট হয়ে যাবে অথচ অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে না, এটি হওয়া উচিত নয়। এলাকাবাসী এর প্রতিকার দাবী করছেন।
ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিটিএ সভাপতি ও ইউপি সদস্য প্রার্থী এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, স্কুলের বাচ্চাদের নিরাপত্তা ও পথচারীদের জীবনহানির হাত থেকে রক্ষা করতে জেলা পরিষদ গাছ ৩টি কেটেছিল। কিছু অংশ বিক্রয় ও নিয়ে যাওয়া হলেও, মূল বড় অংশ ৩/৪ বছর এভাবে ফেলে রেখে নষ্ট করার কারণ তারা জানেন না। তবে তাদের দাবী, গড়িগুলো স্থানীয় কোন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান করে দেওয়া হোক, নতুবা জেলা পরিষদ তাদের কাছে নিয়ে যাক। এভাবে নষ্ট করার কোন অর্থ নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন