প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় দুটি মাদার ভেসেলের (সমুদ্রগামী বড় জাহাজ) মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষের ফলে একটি জাহাজের (তেলবাহী) ইঞ্জিন রুমের পোর্ট কোয়ার্টারে ফাটল দেখা দিয়েছে। শুক্রবার(১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে একটি জাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারালে এই ঘটনা ঘটে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড জাহাজ দুটিকে উদ্ধার এবং স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বহনকারী তেলবাহী ট্যাংকার এমটি সি স্পাইক এবং নোঙর করে থাকা বাল্ক ক্যারিয়ার এমভি সানশাইন এর মধ্যে সংঘর্ষটি সংগঠিত হয়েছে। তীব্র স্রোতের কারণে তেলবাহী জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা সম্ভব হয়নি, বলছেন তিনি। তদন্তের পর দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পারা যাবে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় এমটি সি স্পাইকের ইঞ্জিন রুমে পোর্ট কোয়ার্টারে আনুমানিক ১ বর্গমিটার ফাটল দিয়ে পানি প্রবেশ করায় সাময়িক ব্ল্যাকআউট বা বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। তবে, জরুরি ব্যাটারির সাহায্যে জাহাজের ভিএইচএফ যোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়েছে। জাহাজের সবকটি কার্গো ট্যাংক সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। কার্গো ট্যাংকে কোনো পানি প্রবেশ করেনি এবং কোনো ধরনের তেল নিঃসরণের ঘটনা ঘটেনি।
বন্দর সচিব জানান, ঘটনার পর পরই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ড দ্রুততম সময়ে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। বন্দরের টাগবোট কান্ডারী-৮ দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দ্রুত সময়ে জ্বালানি তেল খালাসের জন্য শিপিং এজেন্ট (প্রাইড শিপিং) এবং ফাটল মেরামত ও উদ্ধারের জন্য স্যালভেজ কোম্পানিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, জাহাজের মাস্টারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ভিএইচএফ যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন