০৯:১৬ এম
যুক্তরাষ্ট্রে গত মাসে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি প্রায় ৬.৫০ ডলারে পৌঁছেছে, যা একটি রেকর্ড। এর ফলে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে এই চাপ কমানোর জন্য কম দামের ডিজেল সহজলভ্য করার পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এ লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশ প্রস্তুত করছেন। সোমবারের মধ্যে এটি ঘোষণা হতে পারে। এই আদেশে করমুক্ত ডিজেলের সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য কিছু ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে ‘রেড-ডাইড ডিজেল’ সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের ডিজেল সাধারণত কৃষিকাজ ও নির্দিষ্ট কিছু অফ-রোড যানবাহনে ব্যবহৃত হয়।
আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?
একই সঙ্গে, পরিবহন বিভাগ রাজ্যগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সড়কে ব্যবহৃত ডিজেলের কর মওকুফের উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দিতে পারে। এতে ট্রাক পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতের ব্যয় কমে আসতে পারে, যেগুলো বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে।
ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পরিবহনে ডিজেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ফলে দাম বাড়লে পরিবহন ব্যবসা ও অন্যান্য খাতে এর প্রভাব পড়তে পারে।
ইরান ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, যা দাম বৃদ্ধির একটি প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের তেল শোধনাগারে হামলাও পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য প্রশাসন তৎপর হয়েছে। ট্রাম্পের চাপের পর গত সপ্তাহে জি৭ দেশগুলো ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। এর আগে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রপ্তানি সীমিত করার বিষয়টিও বিবেচনা করেছিলেন।
আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের
তবে জি৭-এর নতুন ডিজেলের সরবরাহের পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। কিছু অংশ মার্চে ঘোষিত বৈশ্বিক চুক্তির আওতায় আগেই অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন