প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পরিবেশ রক্ষায় মানুষকে সচেতন করার জন্য দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তিনি স্বীকৃতি পাচ্ছেন মো. মনির হোসেন। পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার করতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নতুন মর্যাদাপূর্ণ ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ পাচ্ছেন।
পরিবেশের নিকট কাজ করা এবং মানুষকে সচেতন করে তোলা, যেন ইনি তাঁর প্রতিদিনের ব্রত। সেই একনিষ্ঠ প্রচেষ্টার জন্য এবার রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্বীকৃতি পাচ্ছেন তিনি।
গত ৭ জুন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-৩ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরীনা রহমানের সই করা প্রজ্ঞাপনে চূড়ান্তভাবে মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
‘জাতীয় পরিবেশ পদক নীতিমালা, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৯)’ অনুযায়ী ব্যক্তিগত পর্যায়ে ‘পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার’ শ্রেণিতে স্থান পেয়েছেন মনির হোসেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের (বিআরএফ) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং নদীর পরিবেশ, প্রতিবেশ ও নাব্যতা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে চলছেন।
পুরস্কার হিসেবে মনির হোসেন পাবেন ২২ ক্যারেট মানের দুটি তোলা ওজনের সোনার সমপরিমাণ বাজারমূল্য, ৫০ হাজার টাকার একটি চেক, একটি সম্মানসূচক ক্রেস্ট এবং একটি সনদপত্র।
এ ছাড়া, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের জন্য পদক পাচ্ছেন মো. হাসমত আলী। তিনি সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে আলহাজ ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক।
পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের জন্য পদক পাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম।
উল্লেখযোগ্য যে, পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ রোধ, গবেষণা এবং পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচারে যাঁরা নীরবে কাজ করে যান, তাঁদের অবদানের মূল্যায়ন করতেই সরকার প্রতিবছর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে এই সম্মানজনক পদক প্রদান করে থাকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন