প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়োগ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্রকৌশল দপ্তরের অন্তর্ভুক্ত দুজন কর্মকর্তা রয়েছেন। একইসঙ্গে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাস্তা মেরামতে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ের বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সভায় উপস্থিত একজন সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন।
সিন্ডিকেট সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান প্রকৌশলী জয়নাল আহমেদ চৌধুরী এবং প্রকৌশলী বিকাশ চন্দ্র দাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া, অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কারে ব্যয় নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক রবিউল ইসলামকে সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমেদ চৌধুরী সদস্য সচিব এবং সিন্ডিকেট সদস্য আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শহিদুর রহমানকে সদস্য করা হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের ২০ জুন সিলেটের একটি লোকাল পত্রিকায় ‘কয়েক হাজার ইট দিয়ে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে শাবিপ্রবি অভ্যন্তরীণ সড়ক মেরামত’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর ‘শাবিপ্রবিতে ছয় মাসের মধ্যে একই সড়ক দুবার মেরামত’ শিরোনামে আরেকটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। দুই সংবাদে একই রাস্তা দুবার মেরামতে ব্যয়ের পার্থক্য তুলে ধরা হয়। পরে এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা তদন্তের দাবি জানান।
এ প্রেক্ষিতে, তদন্তের জন্য ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম বলেন, সিন্ডিকেটের সব সদস্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান প্রকৌশলীসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা সকলের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
রাস্তা সংস্কারের কাজের তদন্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এ কাজে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ এর চেয়ে বেশি কাজ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় করা হয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পক্ষ থেকে তদন্তের চাপ ছিল। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন