বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:২৩ পি.এম
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে গিয়ে বিনা অনুমতিতে নৌমাইনে আঘাত লেগে অন্তত চারটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লেগেছে। ইরানের সামরিক বাহিনী আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। একদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল যে, হরমুজ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো থেকে সব মাইন অপসারণ করা হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) তাদের এক বিবৃতিতে জানায়, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালির দক্ষিণের অননুমোদিত পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় নৌমাইনে আঘাত পায়। এই ঘটনায় জাহাজগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন লেগে যায়।
আইআরজিসির দাবি, জাহাজগুলো তাদের রাডার ও নৌচলাচল ব্যবস্থার সব যন্ত্র বন্ধ করে দিয়েছিল এবং আইআরজিসির নৌবাহিনীর সতর্কবার্তাও উপেক্ষা করেছিল। তবে এই ঘটনাগুলো ঠিক কখন ঘটেছে এবং ট্যাংকারগুলো কোন দেশের পতাকাবাহী ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আজ বিকেলে ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির পূর্বদিকে আরও একটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লেগেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, নিয়ন্ত্রিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবৈধভাবে চলাচল করা ওই ট্যাংকারটি নৌমাইনে আঘাত পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আগুন ধরে যাওয়ায় চলাচলের অক্ষম হয়ে পড়ে।
হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। চলমান সংঘাতের কারণে প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রেখেছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। কাতারের মাধ্যমে তেহরানের কাছে পৌঁছানো ওই প্রস্তাবে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব ছিল। তবে ইরান প্রস্তাবটি নাকচ করে বলেছে, এটা কোনো শান্তি প্রস্তাব নয়, বরং একগুচ্ছ অগ্রহণযোগ্য শর্ত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়। ওই কর্মকর্তা বলেন, কাতার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের কাছে নতুন কোনো শান্তি প্রস্তাব দেয়নি। বরং কিছু ধারণা তুলে ধরেছে, যেগুলোকে তেহরান অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ বর্তমানে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে ছত্রিশগড় ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। এটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। একইসঙ্গে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে।
এ সকল পরিস্থিতির কারণে আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রকাশিত নিয়মিত আবহাওয়া বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি কিছু অঞ্চলে মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণও হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বর্ধিত ৫ দিনে তাপমাত্রা কমতে পারে বলেও জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে।
বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনের আবহাওয়ার অবস্থাঃ তাপমাত্রা কমতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ খননস্থল থেকে বের হওয়া গ্যাসে আগুন জ্বলছে তিন দিন ধরে। বৃহস্পতিবার আগুনের তীব্রতা আগের দুই দিনের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আগুনের সঙ্গে কাঁদামাটি ছিটকে বের হচ্ছে।
এই ঘটনার ফলে ইনানীর দুটি ওয়ার্ডের প্রায় ৪০০ পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার জন্য ঘটনাস্থলের চারপাশে ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে এবং কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, গ্যাসের আগুনের কারণে দুই দিন বন্ধ থাকার পর বিকল্প ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করেছে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ। এতে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ গ্রাহক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। তবে গ্যাস নির্গমন ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল। গ্যাস শনাক্ত করতে বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা চালানো হলেও আগুনের তীব্র তাপের কারণে মূল নির্গমনস্থল থেকে গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ইনানীর শফির বিল ও সিকদার বাজার এলাকার আশপাশে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, গ্যাসের নির্গমন আরও বেড়েছে। তাঁরা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আজিজ বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে গ্যাসের আগুন জ্বলছে। আগুনের সঙ্গে ওই স্থান থেকে কাদামাটির মতো কিছু বের হচ্ছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ বেড়েছে। আমরা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চাই, যাতে এলাকার মানুষ নিরাপদে থাকতে পারেন।’
স্থানীয় বাসিন্দা হাবীবুর রহমান জানান, দুই দিন পর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। তবে গ্যাস নির্গমন ও আগুন জ্বলার ঘটনায় আতঙ্ক কাটেনি। বরং গ্যাস আরও দ্রুতগতিতে বের হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও বাপেক্সের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থলের আশপাশে প্রায় ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। এখন আমাদের একটাই দাবি, দ্রুত গ্যাস নির্গমন ও আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।’
গ্যাসের আগুনের ঝুঁকি এড়াতে প্রশাসন ঘটনাস্থল থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত এলাকায় মানুষের চলাচল সীমিত করেছে। সড়কসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে এবং টাঙানো হয়েছে লাল পতাকা। ফায়ার সার্ভিস, ইনানী পুলিশ ফাঁড়ি, উখিয়া থানা-পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শামশুল আলম জানান, তাঁর ওয়ার্ডে বড় ইনানী ও ছোট ইনানী নামে দুটি গ্রাম রয়েছে। ছোট ইনানী গ্রামে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানে প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০টি পরিবারের বসবাস। সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে এসব পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
শামশুল আলম বলেন, ঢাকায় থেকে আসা বাপেক্সের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, গ্যাস যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। এ কারণে আপাতত নির্গমনের স্থানটি বন্ধ করা হচ্ছে না। বিষয়টি পর্যালোচনা করে কীভাবে নিরাপদে গ্যাস নির্গমন বন্ধ করা যায়, তা নির্ধারণের জন্য বাইরের বিশেষজ্ঞ দল আনার বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে।
জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাকির হোসেন বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে গ্যাসের আগুন জ্বলছে। এতে আশপাশের প্রায় ৪০০ পরিবারের মানুষ চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
গত দুই দিনের মতো বৃহস্পতিবারও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাপেক্সের তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল। ব্যবস্থাপক ও ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের দলনেতা এস এম নাফিকুন আরহামের নেতৃত্বে দলটি ঘটনাস্থলে যায়।
বাপেক্সের সহকারী ব্যবস্থাপক ইমামুল ইসলাম রোকন জানান, গ্যাস শনাক্ত করতে ডিটেক্টর নিয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গেছেন। বাপেক্সের প্রোডাকশন ফিল্ডের একটি দলও আশপাশের অন্য কোনো স্থান দিয়ে গ্যাস বের হচ্ছে কি না, তা শনাক্ত করার চেষ্টা করেছে। তবে আগুন জ্বলতে থাকায় মূল নির্গমনস্থলে ডিটেক্টর দিয়ে গ্যাস শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। আশপাশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা করে অন্য কোথাও গ্যাস নির্গমনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
ইমামুল ইসলাম রোকন আরও বলেন, আগুনের তীব্র তাপের কারণে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি গিয়ে গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রায় ২০ থেকে ২৫ ফুট দূর থেকেও প্রচণ্ড তাপ অনুভূত হচ্ছে। এ অবস্থায় আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া তাঁদের আর কোনো উপায় নেই। তবে উপজেলা প্রশাসনকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে গ্যাসের আগুনের কারণে দুই দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প ব্যবস্থায় প্রায় ৩ হাজার ৮০০ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করেছে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ। তবে গ্যাস নির্গমন ও আগুন বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ কাটেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মাদক সেবনের অভিযোগে কলসকাঠীর তিনজনকে আটক করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একজনের ৬ (ছয়) মাস ও অপর দুইজনের প্রত্যেককে ১ (এক) মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব অভ্র জ্যোতি বড়াল।
এ সময় সার্বিক সহযোগিতায় ছিল বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর একটি টিম।
প্রশাসন জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী বাবলাকোনা এলাকা থেকে ৮ লাখ ৬০ হাজার ৫৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব কসমেটিকস জব্দ করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে কর্ণঝোড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৮ লাখ ৬০ হাজার ৫৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করা হয়।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ