প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন প্রকল্পের কার্যক্রমে যদি কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি দেখা দেয়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজসংলগ্ন প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল ও প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অতীতের বন্যার পরিস্থিতি যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেই জন্য প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও কারিগরি বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা চলে যাবেন; কিন্তু এর সুবিধা ও অসুবিধা স্থানীয় জনগণ ভোগ করবেন। তাই জনগণকে প্রকল্পটি নিজেদের মনে করে এর তদারকিতে সম্পৃক্ত হতে হবে।
যদি কোথাও নিম্নমানের কাজ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম দেখা যায়, তাহলে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী অথবা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকল্পটির কাজের জন্য প্রায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং এটি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। আগামী ১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হবে। এই উপলক্ষে প্রকল্প এলাকায় প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
এ সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১ অক্টোবর পরশুরামে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর তীর রক্ষা বাঁধ এবং নিষ্কাশন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন