প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আধুনিক মালয়েশিয়ার ৬৯তম ‘হারি মেরদেকা’ বা স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসটি বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে।
সোমবার সকাল থেকে প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ার ‘দাতারান পুত্রজায়া’ প্রাঙ্গণে মানুষের বিশাল সমাগম ঘটে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক বিদেশি নাগরিকও এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির রাজা সুলতান ইব্রাহিম এবং রানি রাজা জারিথ সোফিয়া। রাজপরিবার দাতারান পুত্রজায়ায় পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার স্ত্রী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল। এ সময় যোগাযোগমন্ত্রী দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিলও উপস্থিত ছিলেন।
রাজা ও রানির উপস্থিতিতে জাতীয় দিবসের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দাতারান পুত্রজায়াজুড়ে তূর্যের গম্ভীর ধ্বনি ভেসে ওঠে। এরপর মূল সম্মান রক্ষী বাহিনীর ব্যান্ডদল জাতীয় সংগীত ‘নেগারাকু’ পরিবেশন করে।
রাজা ও রানি রাজকীয় মঞ্চে আসন গ্রহণ করার পর আকাশে পতাকা প্রদর্শনী শুরু হয়। এ সময় মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকার পাশাপাশি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখা— সেনা, রাজকীয় নৌ ও রাজকীয় বিমানবাহিনীর পতাকা বহন করে পাঁচটি হেলিকপ্টার।
পরে রাজা সুলতান ইব্রাহিম কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং মূল সম্মান রক্ষী বাহিনীর কাছ থেকে রাজকীয় অভিবাদন গ্রহণ করেন। সুঙ্গাই বুলোহ ক্যাম্প থেকে আসা রাজকীয় গোলন্দাজ রেজিমেন্টের ৪১তম ব্যাটারি এই অভিবাদন জানায়।
এই বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে ৭৬টি দলের হয়ে মোট ১০ হাজার ৮১৯ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সঙ্গে ছিল ২২টি ব্রাস ব্যান্ড। আয়োজক কমিটির তথ্যমতে, জাতীয় দিবসের এই আয়োজনে ৮০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।
১৯৫৭ সালের ৩১ আগস্ট ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মালয়েশিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে। সেই সময় থেকে প্রতিবছর ৩১ আগস্ট দিনটি ‘হারি মেরদেকা’ বা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। জাতীয় ইতিহাসে দিনটি দেশের গৌরব, আত্মপরিচয় ও দেশপ্রেমের প্রতীক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন