প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতের জামায়াতপন্থী সাতজন অতিরিক্ত ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এবং সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের সময় তারা সরকারের কয়েকটি নীতিগত সিদ্ধান্ত ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের কাছে পৃথকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও পদত্যাগপত্রের অনুলিপি পাঠিয়েছেন তারা।
পদত্যাগকারীরা হলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট ইসরাফিল হোসাইন ও অ্যাডভোকেট গোলাম সারোয়ার, সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার অ্যাডভোকেট মাইনুদ্দিন মিয়া ও অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর দেওয়ান এবং সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন ও অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান।
পদত্যাগপত্রে তারা উল্লেখ করেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা ও কিছু সিদ্ধান্ত তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং বিচার বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সাম্প্রতিক পদক্ষেপের সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত নন তারা।
পদত্যাগকারী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন জানান, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগসংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকার ও সরকারি দলের প্রভাব পুনরায় বেড়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য হুমকি তৈরি করেছে। এর ফলে সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তারা।
তিনি বলেন, ‘সরকারের জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনীহা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা এবং আরো কয়েকটি নীতিগত বিষয়ে আমাদের মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে। সে কারণেই আমরা এ দায়িত্বে আর বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নিইনি।’
আক্তার হোসেন আরো জানান, পদত্যাগকারী সাতজনই জামায়াত-সমর্থিত সংগঠন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন