প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্নরত নার্সিং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওয়ার্ড বয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন তিন শিক্ষার্থী।
বেসরকারি নার্সিং কলেজের ইন্টার্ন শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, দুই ওয়ার্ড বয়ের দীর্ঘদিনের ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।
ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে হাসপাতালের আউটডোর ভবনের নিচতলার সার্জিক্যাল মাইনর অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) ড্রেসিং রুমে এ ঘটনা ঘটেছিল।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—সুরমা নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাহমিদ (২১), আল-আমিন নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী রবিউল আউয়াল শুভ (২৩) এবং ওয়েসিস নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী প্রীতম রঞ্জন দাস (২৩)। আহতদের ওসমানী হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্নশিপে থাকা বেসরকারি নার্সিং কলেজের দুই ছাত্রীর সঙ্গে হাসপাতালের আউটসোর্সিং স্টাফের ওয়ার্ড বয় জামাল ও অঞ্জন সরকার অশোভন আচরণ করেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে ইন্টার্ন শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করে আসছে।
অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন শিক্ষার্থী সার্জিক্যাল মাইনর ওটির ড্রেসিং রুমে যান। সেখানে নার্সিং স্টাফের উপস্থিতিতে তাদের মধ্যে কথোপকথনের এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথার লড়াইটাও শুরু হয়, যা পরে মারামারিতে রূপ নেয়।
এ সময় ওটি কক্ষের কাচ ও কিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওয়ার্ড বয় জামাল ও অঞ্জন সরকার দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি আগেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বুধবার একই ধরনের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে তাদের হামলার শিকার হতে হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন করেন এবং হাসপাতালের পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) ডা. মোহাম্মদ বদরুল আমিন বলেন, ঘটনার পরপরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন