প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর, আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদনে যোগ হয়েছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও কারিগরি সমন্বয়ের পর ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিটটি থেকে প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, ধীরে ধীরে উৎপাদন ২০০ মেগাওয়াটেরও বেশি পৌঁছাতে পারে।
বর্তমানে কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটও চালু রয়েছে। তবে এই ইউনিট থেকে গড়ে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। দুই ইউনিট সচল থাকায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘প্রথম ইউনিটটি সীমিত সক্ষমতায় উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছিল। তৃতীয় ইউনিট চালু হওয়ায় কেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জাতীয় গ্রিডে স্থিতিশীলতা আনবে।’
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম বলেন, খনিতে উৎপাদিত কয়লা সংরক্ষণে বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিকল্প স্থানে মজুত এবং সীমিত পরিসরে বাজারজাতের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিটগুলো সচল থাকায় কয়লার চাহিদা বাড়বে, ফলে খনিতে উৎপাদিত কয়লার ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং সংরক্ষণজনিত চাপ কমবে।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, তৃতীয় ইউনিট পুনরায় উৎপাদনে ফেরায় জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ যুক্ত হবে, যা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন