শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৭ পি.এম
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ তুরস্কের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে জোরদার করার পাশাপাশি বাজার সম্প্রসারণ, পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করে দুই দেশের বাণিজ্যকে ২০০ কোটি ডলারে উন্নীত করতে চায়।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় তুরস্কের ১০৩তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক সংহতি এবং ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব হিসেবে অভিহিত করেন।
ঢাকার একটি হোটেলে তুরস্কের দূতাবাস এ সংবর্ধনার আয়োজন করে। ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর প্রজাতন্ত্র ঘোষণার স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অতিথি ও কূটনীতিকরা অংশ নেন।
আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন, বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। তবে এ ক্ষেত্রে আরও ব্যাপক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, "বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং ব্যবসায়িক পর্যায়ে অংশীদারিত্ব জোরদারের মাধ্যমে আমরা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০০ কোটি ডলার ও এর বেশি পর্যায়ে উন্নীত করতে প্রস্তুত।"
তিনি আরও বলেন, "অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং দুই দেশের জনগণের সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করবে।"
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা রাজনৈতিক সংলাপ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের বৈঠকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এটি দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর ও বহুমুখী করার অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন।"
দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটে তুরস্কের মানবিক সহায়তা ও অবিচল সংহতির জন্য বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় তুরস্কের সমর্থনের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
মন্ত্রী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘কামাল পাশা’ কবিতার উল্লেখ করে বলেন, "কবিতাটি তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের শ্রদ্ধা ও অনুরাগের প্রকাশ।"
আইনমন্ত্রী তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন বাংলাদেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায়।
অনুষ্ঠানে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বলেন, বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের আরও সুযোগ অনুসন্ধানে তুরস্ক তার ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে উৎসাহিত করছে। তিনি জানান, দেশটিতে ইতিমধ্যে তুর্কি কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা-ইস্তাম্বুলের মধ্যে সরাসরি যাত্রী ও পণ্যবাহী বিমান চলাচল দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১১ ও ১২ নভেম্বর তুরস্কে অনুষ্ঠেয় কপ-৩১ সম্মেলনের বিশ্বনেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।
তিনি এ বছরের ৫ ও ৬ জুন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের বাংলাদেশ সফর এবং আন্তর্জাতিক বিচার সম্মেলন ২০২৬-এ অংশ নিতে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের সাম্প্রতিক তুরস্ক সফরের কথা স্মরণ করেন।
তিনি জানান, যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের পরবর্তী বৈঠক আগামী ২১ জানুয়ারি, ২০২৭ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকটি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের সামগ্রিক পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি করবে।
অনুষ্ঠানে তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা গাজী মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ হকি দল আবারও হারের বৃত্তে প্রবেশ করেছে। ভারতের জলন্ধরে চলমান এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ হ্যাটট্রিক হারের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। আজ তারা মালয়েশিয়ার কাছে ৬-১ গোলে পরাজিত হয়েছে।
সুরজিৎ সিং হকি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই মালয়েশিয়া বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চাপে রেখে আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে। ম্যাচের ১৪ মিনিটে তারা তাদের প্রচেষ্টার ফল পায়। ফরোয়ার্ড আবু কামাল আজরাইয়ের ফিল্ড গোলে তারা লিড নেয়। ২২তম মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে আজরাই তার দ্বিতীয় গোলও করেন।
বাংলাদেশ ২৬তম মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় আমীরুল ইসলাম। কিন্তু মালয়েশিয়া সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে দেয়নি। ২৯তম মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে আখিমুল্লাহ আনোয়ার ব্যবধান ৩-১ করেন।
৩২ মিনিটে আজিমুদ্দিন কামারুদ্দিন মালয়েশিয়ার জন্য আরেকটি গোল নিয়ে আসেন। সেই গোলের পরপরই স্কোরলাইন ৫-১ করেন শেলো সিলভেরিয়াস। আর ৫০ মিনিটে বাংলাদেশের জালে শেষ পেরেক মারেন আইমান রোজেমি।
এর আগে, বাংলাদেশ স্বাগতিক ভারতের কাছে ১৩-০ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল। ফিরতি ম্যাচে তারা জাপানের বিরুদ্ধে ১-০ ব্যবধানে হারে। ফলে তিনটি ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে বাংলাদেশ মাত্র দুবার বল পাঠাতে সক্ষম হলেও তারা ২০ গোল হজম করেছে।
আগামী ১ নভেম্বর একই মাঠে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ট্রান্সজেন্ডারের প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ অবগত আছেন, তবে তিনি এটি জানার পরও অজ্ঞতার ভান করছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)। তিনি একটি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি প্রদান করে বলেছেন, দেশের মুসলমানরা কোনো অবস্থাতেই ট্রান্সজেন্ডার আইন বাস্তবায়ন করতে সম্মত হবে না।
শুক্রবার রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতী ফয়জুল করীম শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী, আপনি কি ট্রান্সজেন্ডার সম্পর্কে জানেন না? আপনি নিশ্চয়ই জানেন ট্রান্সজেন্ডার কী! আপনি জানেন, কিন্তু না জানার ভান করছেন। বাংলাদেশের মুসলমানরা এই দেশে কোনো ট্রান্সজেন্ডার আইন বাস্তবায়ন করতে দেবে না। যদি সত্যিই আপনার জানা না থাকে, তবে যারা এই বিষয়ে জ্ঞানী, তাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করে বিষয়টি জানুন।’
আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আপনি খুব সুন্দর কথা বলেন। আপনি সংবিধান সম্পর্কে ভালো জানেন, আপনার জ্ঞানও আছে। কিন্তু আপনার মূল দায়িত্ব পালনের জন্য যে জ্ঞান থাকা উচিত, সেটিও আপনার থাকা উচিত। দেশে খুন, ধর্ষণ ও গুমের ঘটনা কতটা বেড়েছে—তা কি আপনি পর্যবেক্ষণ করছেন? আপনার আগে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা উচিত।’
দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকটের চিত্র তুলে ধরে চরমোনাই নায়েবে আমির বলেন, সমাজে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য আগের মতোই রয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, বারবার বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এমনকি জনগণ যতটুকু গ্যাস বা বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে না, তাদের বিল আসছে তার চেয়েও অনেক বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সাবেক আমির, ঢাকা মহানগরীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানার দায়িত্বশীল এবং টিপনা আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মাওলানা নজরুল ইসলাম শামীম (৮৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)।
বার্ধক্যজনিত কারণে গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর তার মৃত্যু ঘটে। তার স্ত্রী, ৬ পুত্র ও ২ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। সর্বশেষ তিনি জামায়াতের খুলনা জেলা ইউনিটের রুকন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শুক্রবার বাদ জুমা জানাজা শেষে তাকে খুলনার ডুমুরিয়ার সবুজবাগে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মাওলানা নজরুল ইসলাম শামীমের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো শোকবাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, "মাওলানা নজরুল ইসলাম শামীম (রাহিমাহুল্লাহ) ছাত্রজীবন থেকেই ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।" তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা জেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে ঢাকা মহানগরীর লালবাগ (১৯৮২-১৯৮৫) ও কোতোয়ালি থানা (১৯৮৬-১৯৮৭) এবং খুলনার ডুমুরিয়া থানায় (১৯৯২-২০১১) দায়িত্বশীল হিসেবে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে কাজ করেছেন। খুলনার ডুমুরিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের কাজ প্রতিষ্ঠার পেছনে তার অবদান অনস্বীকার্য। তার ইন্তেকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ দাঈকে হারালাম এবং আমরা গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।
শোকবাণীতে গোলাম পরওয়ার আরো বলেন, "আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তার কবরকে প্রশস্ত করুন।" তিনি তার গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সালমান আলী আগা দাবি করেছেন যে, পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ফলে তার ওপর থেকে চাপ কমেছে। তিনি মনে করেন, পাকিস্তানের যেকোনো ক্রিকেটারের জন্য অধিনায়কত্বের দায়িত্ব একটি চাপের বিষয়।
সালমান ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এশিয়ান গেমসের আগ পর্যন্ত পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বড় টুর্নামেন্টে সাফল্য না পাওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়। নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তিনি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। ৩২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড-১-এ কিংসমেন একাডেমির হয়ে একটি ট্রিপল সেঞ্চুরি ও একটি সেঞ্চুরি করেছেন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালের আগে সালমান অধিনায়কত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তাকে প্রশ্ন করা হয়, অধিনায়কত্ব হারানোর পর তিনি কি এখন আগের চেয়ে স্বস্তিতে আছেন।
জবাবে সালমান আলী বলেন, ‘আপনি যদি পাকিস্তান দলের অধিনায়ক হন এবং বলেন যে আপনার ওপর বাড়তি কোনো চাপ নেই, তাহলে আমার মনে হয় সেটি ভুল। অধিনায়কত্বের সঙ্গে দায়িত্বের একটা চাপ থাকে। যখন সেই দায়িত্ব আপনার কাঁধ থেকে সরে যায়, তখন চাপও কম অনুভূত হয়। বলতে পারেন, এখন আমি আগের চেয়ে কম চাপে আছি।’
২০২৪ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের অ্যাওয়ে সিরিজে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হয় আগার। পরবর্তী সময়ে জিম্বাবুয়ে সফরে তিনি খণ্ডকালীন অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৫ সালে পান পূর্ণকালীন দায়িত্ব। সব মিলিয়ে ৫০টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়ে ৩১টিতে জিতিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ