প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এই তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। এছাড়া, মিয়ানমার মালয়েশিয়া থেকেও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেবে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের সূত্রে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, আনোয়ার ইব্রাহিম এই চুক্তিকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট সমাধানের জন্য এবং মালয়েশিয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত রাখার ক্ষেত্রে একটি প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ বলে ওদের ফেরত পাঠাও, ফেরত পাঠাও। কিন্তু পাঠাব কোথায়? মিয়ানমার তো ওদের নিতে চায়নি। এই কারণেই মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা জরুরি। এখন তারা প্রথমে ৫ হাজার জনকে নিতে সম্মত হয়েছে।’
এছাড়া, আনোয়ার ইব্রাহিম আরও জানান, মিয়ানমার বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গাকেও ফেরত নিতে রাজি হয়েছে। তবে তিনি এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা উল্লেখ করেননি।
সম্প্রতি পেনাং রাজ্যের একটি আবাসন ছেড়ে শতাধিক রোহিঙ্গা কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) অফিসের সামনে জড়ো হওয়ার কয়েক দিন পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দিলেন। পরবর্তীতে রোহিঙ্গাদের ওই দলটিকে কুয়ালালামপুর, সেলানগোর ও পেনাংয়ের বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করে মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ।
আনোয়ার ইব্রাহিম জোর দিয়ে বলেন যে, এই আঞ্চলিক শরণার্থী সংকটের একটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের উদ্দেশ্যে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলতে থাকবে মালয়েশিয়া।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের মুসলিম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গা সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য, নির্যাতন ও নাগরিকত্বহীনতার শিকার হয়ে আসছে। চরম দুর্দশা থেকে বাঁচতে তারা প্রায়শই বিপজ্জনক সমুদ্রপথে অন্যান্য দেশে পালানোর চেষ্টা করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন