প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইতালির আগ্রিজেন্তো শহরে ৩৯ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি নাগরিককে ১৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে দেশটির আদালত।
এই দণ্ড দেয়া হয়েছে যৌন নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে পাঁচ স্বদেশি যুবকের প্রতি এর অভিযোগ ওঠার পর।
প্রাথমিক শুনানিতে বিচারক মিশেল ডুবিনি রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি এলেত্রা কনসোলি অভিযুক্তের জন্য দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় কমিয়ে ১২ বছর ৪ মাসের কারাদণ্ডের আবেদন করলেও আদালত আরো কঠোর হিসেবে ১৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করে।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ দেখায় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পরিবার-পরিজনকে ছেড়ে ইতালিতে আসা পাঁচ বাংলাদেশি যুবকের অসহায় অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে।
তারা সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে প্রথমে নিজের বাসা বা আশপাশে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বাস অর্জন করেন। এরপর, বিভিন্ন অজুহাতে তাদের ডাকেত নিয়ে সহিংসতা, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে যৌন নিপীড়ন করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনাগুলো ২০২৪ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ঘটে। ভুক্তভোগীদের উক্ত সময়ে বয়স ছিল ১৭ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। একটি ঘটনার মধ্যে অভিযুক্ত একজন ভুক্তভোগীকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা কমানোর জন্য জোর করে মদ্যপান করানোর অভিযোগ রয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষ তথ্য প্রদানকারী এক ভুক্তভোগীকে, যাকে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি থানায় ডাকা হয়েছিল, তাকে ঘটনাটি গোপন রাখতে হুমকি দেন অভিযুক্ত।
অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে যে, অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য বলেন এবং সাক্ষ্য দিলে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলে ভয় দেখান।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী সালভাতোরে পেনিকা আদালতে দাবী করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের মতো যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ নেই। তিনি খালাসের আবেদন জানিয়েছেন। বিকল্প হিসেবে গুরুতর অভিযোগগুলো বিবেচনায় না নিয়ে ইলেকট্রনিক নজরদারির আওতায় গৃহবন্দি রাখার আবেদনও করেন। তবে সেই আবেদন আদালত খারিজ করে দেয়।
বর্তমানে দণ্ডপ্রাপ্ত ওই বাংলাদেশি ইতালির কারাগারে রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন