প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ড্রাগন ফলকে ‘সুপার ফ্রুট’ হিসেবে অনেকেই অভিহিত করেন। বর্তমানে স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফল। এর ব্যতিক্রমী স্বাদ, আকর্ষণীয় রং এবং পুষ্টিগুণের কারণে অনেকেই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ফলটি অন্তর্ভুক্ত করেন।
ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট বিদ্যমান। প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফ্রুটে ৬০ কিলোক্যালরি শক্তি, ১৩ থেকে ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩ গ্রাম ফাইবার এবং ১ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এত পুষ্টিগুণ থাকা সত্ত্বেও ড্রাগন ফল সবার জন্য নিরাপদ নয়।
কারা খাবেন
পুষ্টিবিদরা জানান, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার এবং আয়রন সমৃদ্ধ এই ফল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। একইসঙ্গে রক্তাল্পতার সমস্যা থাকলে তা সমাধানেও সহায়ক, বিশেষ করে ড্রাগনে বিদ্যমান আয়রন উপাদান। অনেকের হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয়। যাদের এই ধরনের সমস্যা রয়েছে, তারা ড্রাগন ফল খেতে পারেন। এতে থাকা ফাইবার হজমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও এটি কার্যকর। ডায়াবেটিসের জন্যও এটি উপকারী। এছাড়া শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে ড্রাগন ফল কার্যকর বলে মন্তব্য করেছেন পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান।
কারা খাবেন না
হজমে সমস্যা থাকা ব্যক্তিদের খালি পেটে ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত নয় বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান। এ ধরনের সমস্যায় খালি পেটে ড্রাগন খেলে পেট ফাঁপা, ডায়েরিয়া, বমি বা অস্বস্তি বোধ হতে পারে। কিডনি রোগ বা কিডনিতে পাথরের প্রবণতা থাকলে সীমিত পরিমাণে ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত। কারণ, ড্রাগনে অল্প পরিমাণ অক্সালেট থাকে, যা কখনও কখনও কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ হতে পারে। পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
এছাড়া গর্ভবতী নারী এবং স্তন্যদানকারী মায়েরা ড্রাগন ফল পরিমাণমতো খান। একসঙ্গে খুব বেশি ফল খাওয়া উচিত নয়। যদি কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকে, তাহলে সুস্থ মানুষ নিশ্চিন্তে ড্রাগন ফল খেতে পারেন।
খাওয়ার পরিমাণ
একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দিনে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম পর্যন্ত ড্রাগন ফল খাওয়া যথেষ্ট। শিশুদের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ অর্ধেক করা উচিত। তারা ৫০ থেকে ৭৫ গ্রাম পর্যন্ত খেতে পারেন। তবে হজমজনিত সমস্যা থাকলে দই বা অন্যান্য ফলের সঙ্গে মিক্সড ফ্রুটস সালাদ হিসেবে খেতে পারেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন