প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান দলের ব্যাটারদের দায়িত্বহীনতার মাশুল গুনে দলটি সর্বমোট ১৭১ রানে অলআউট হয়েছে। তবে বল হাতে ঘুরে দাঁড়ানোর এক ক্ষীণ আশা জাগিয়েছিলেন ক্যারিয়ারের মাত্র তৃতীয় টেস্ট খেলতে নামা স্পিনার আলি উসমান।
অলি উসমান ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট তুলেছেন। যদিও তার এই অনন্য কীর্তির পরেও সফরকারীরা স্বস্তিতে নেই। কারণ, ইংল্যান্ড ইতোমধ্যে জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের দারুণ ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে ১৯৫ রানের বিশাল লিড চাপিয়ে দিয়েছে। বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় দিনের খেলায় ইংলিশদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮ উইকেটে ৩৬৬ রান।
হেডিংলিতে শুরুতেই ধাক্কা সামলে ইংলিশ দলের শক্ত ভিত গড়ে দেন জো রুট ও জর্ডান কক্স। তারা দুজন মিলে ১৫০ রানের একটি দুর্দান্ত জুটি তৈরি করেন। এই জুটির জন্যই পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ খেই হারাতে বাধ্য হয়। কক্স ১০০ বলে ১৪টি চারের সাহায্যে ৭৩ রান করে বিদায় নেন।
তার বিদায়ের মাত্র ৪ বল পরেই মাঠ ছাড়েন রুটও (১১২ বলে ৬৬ রান)। এ ইনিংসে ব্যাট করে ভারতের ব্যাটিং কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের সমান হয়ে যান তিনি। এটি টেস্টের জন্য তার ৪৮তম ফিফটি এবং অধিনায়ক হিসেবে ৪২তম ফিফটি হাঁকিয়ে ইতিহাসের বিশেষ এক ক্লাবে নাম লেখান রুট। এই তালিকায় তার আগে আছেন বিশ্ব ক্রিকেটের আর মাত্র চার অধিনায়ক।
রুটের বিদায়ের পর পাকিস্তানের কাঁধে আরও বোঝা চাপান হ্যারি ব্রুক ও ড্যান লরেন্স। তারা পঞ্চম উইকেটে ১২০ রানের দ্রুত গতির জুটি গড়ে দলকে বিশাল লিডের পথে নিয়ে যান। লরেন্স ৭৯ বলে ৫১ রান করে সাজঘরে ফিরলেও, ব্রুক সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন। কিন্তু ৯১ রানে এসে আলি উসমানের বলে বোল্ড হয়ে ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে (৯৩ বলে ৯১ রান)। দিন শেষে ইংলিশদের একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটার জেমি স্মিথ ১৬ রানে অপরাজিত আছেন।
এদিকে ইংল্যান্ড দলের বড় রান গড়লেও, এক প্রান্তে আলো ছড়ানোর কাজটি করেছেন পাকিস্তানের স্পিনার আলি উসমান। তিনি ইংলিশদের ৫ ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়ে প্রথমবারের মতো ‘ফাইফারের’ স্বাদ পেলেন। একইসাথে গত এক দশকে ইংল্যান্ডের মাটিতে কোনো পাকিস্তানি স্পিনার হিসেবে প্রথম ৫ উইকেট শিকার করার মাইলফলকও তিনি স্পর্শ করেছেন, যার সর্বশেষ কীর্তিটি ছিল ২০১৬ সালে ইয়াসির শাহর। বাকি ৩টি উইকেট দলের হয়ে ভাগাভাগি করেন মোহাম্মদ আব্বাস, খুররম শেহজাদ এবং মোহাম্মদ আলি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন