প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সম্প্রতি প্রযোজক হওয়া নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন এবং প্রতিভাবান নির্মাতাদের সাহায্য করার জন্যই তিনি নিজের প্রযোজনা সংস্থা শুরু করেছেন।
বলিউড থেকে হলিউডে নিজের স্থায়ী জায়গা তৈরি করেছেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। সম্প্রতি প্রযোজক হওয়া নিয়ে তিনি নিজের মতামত প্রদান করেছেন। অভিনেত্রী বলেন, নতুন এবং প্রতিভাবান নির্মাতাদের সাহায্য করার জন্যই তিনি প্রযোজনা সংস্থা স্থাপন করেছেন। পাশাপাশি, প্রিয়ঙ্কা স্পষ্ট জানান, আমেরিকায় নিজের কর্মজীবনে আরও উন্নতি করতে চান।
বুধবার এক আলোচনাসভায় প্রিয়ঙ্কা জানান, তার কাজের প্রয়োজন মানুষের কাছে তুলে ধরার। এই উদ্দেশ্যে নেটমাধ্যমের সাহায্য নিতে হবে। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘অবসেশন’-এর উল্লেখও তিনি করেন। প্রিয়ঙ্কা বলেন, “আমার মনে হয়, আপনার যদি ভাল কোনও ভাবনা থাকে, তাহলে সেটি শুট করে ইউটিউবে তুলে ধরুন। সেটি ‘অবসেশন’-এর মতো সফল ছবিও হয়ে উঠতে পারে।”
বলিউডের ‘দেশি গার্ল’ আরও বলেন, “বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য এখন দারুণ সময়। কারণ এখনকার দিনে ভাবনাই সবচেয়ে বড় সম্পদ।” প্রিয়ঙ্কা জানান, আগে বিষয়টি এত সহজ ছিল না। তিনি যখন চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন, তখন তাঁর কোনো পরিচিতির অভাব ছিল। তাঁর কথায়, “আমার বাবা-মা দু’জনেই চিকিৎসক ছিলেন। তাই চলচ্চিত্র জগতে কীভাবে এগোতে হয়, সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই ছিল না। তখন এই জগতে প্রবেশ করা খুব কঠিন ছিল।”
প্রিয়ঙ্কা জানিয়েছেন, কর্মজীবনের গোড়ার দিকে তাঁকে বলা হয়েছিল যে, ভারতীয় চলচ্চিত্রগুলি কখনও হলিউডের মতো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হবে না। কারণ সেগুলো ইংরেজি ভাষায় তৈরি হয় না। অভিনেত্রী বলেন, “আমাদের ছবি হিন্দি, তেলুগু, মরাঠি বা অন্য ভাষায় তৈরি হয়। তাই সবাই সেগুলো বুঝবে না, এমনটাই বলা হত।”
সম্প্রতি ‘সিটাডেল’-এর সাফল্যের পরে তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন যে, হলিউডের কাজকে তিনি আরও বড় পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান। তাঁর কথায়, “হিন্দি ছবিতে আমি সেরা পরিচালক ও অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছি। নানা ধরনের গল্প ও চরিত্রে অভিনয় করেছি। কিন্তু আমেরিকাতে ইংরেজি ভাষার কাজের ক্ষেত্রে এখনও তেমন সুযোগ পাইনি।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন