প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া টানা ১০ মাসেরও বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ৪(৩)(ঘ) বিধি অনুযায়ী গুরুদণ্ড হিসেবে পলায়নের তারিখ, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।’
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (পরিচিতি নম্বর ২০৬৮৯) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন। এর আগে তিনি দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে কাজ করেছেন।
২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর ইউএনও হিসেবে পদায়নের জন্য সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে তাকে ন্যস্ত করা হয়। ৩১ অক্টোবর তিনি দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অবমুক্ত হলেও নির্ধারিত সময়ের (২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর) মধ্যে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করেননি। এ বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাকে বদলিপূর্বক বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে সেখানে তিনি যোগদান থেকে বিরত থাকেন।
কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ও ৩(গ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা হয়।
বিভাগীয় তদন্তে উল্লিখিত অভিযোগ দুটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের আলোকে তাকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত চাওয়া হলে তারা চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে। পরিশেষে রাষ্ট্রপতি এই বরখাস্তের প্রস্তাবের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন