মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৭ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা অডিটরিয়ামে,‘মাদককে না বলুন, জীবঁনকে হ্যাঁ বলুন, মাদক নয়-জীবন চাই, মাদক ছেড়ে-স্বপ্ন দেখো, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি একসাথে’এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে, ‘মাদক প্রতিরোধে গঠিত পিরোজপুর জেলা কমিটির সাথে’এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ভাণ্ডারিয়া উপজেলা ও পৌর প্রশাসক ইউএনও মো. হাসিবুল হাসান এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদারের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইব্রাহীম মোল্লা, মাদক প্রতিরোধে গঠিত পিরোজপুর জেলা কমিটির আহবায়ক দৈনিক ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টার মো.মুনিরুজ্জামান নাসিম আলি, সমন্বয়কারী অধ্যাপক মো. শাহ আলম শেখ, যুগ্ম আহবায়ক মো. মেহেদী হাসান, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সিকদার জাকির হোসেন বাচ্চু, অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. হাবিুবর রহমান, প্রধান শিক্ষক মো. জুলফিকার আলী, শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম আজাদ, দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শঙ্কর জীৎ সমদ্দার, প্রতিদিনের বাংলাদেশ মো. তরিকুল ইসলাম শামীম, বরিশাল বার্তার মো. আল আমীন আহম্মেদ, রেড ক্রিসেন্ট সদস্য সজিব হাওলাদার শাওন, বিডি ক্লিন সদস্য মো. মেহেদী হাসান প্রমূখ।
সভায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরো বেশি আন্তরিক হয়ে উপজেলা প্রশাসনের সাথে এক হয়ে কাজের গতি বাড়ানো, থানা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা,পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সকলের অংশ গ্রহনে সামাজিক আন্দোলন বাড়ানোর আহবান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মিছিলের প্রস্তুতির সময় পুলিশ ১০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের সংগঠন কার্যক্রম নিষিদ্ধ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার ছনবাড়ি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আছেন আলভি (২৫), ফয়সাল (২৯), অপুর্ব (৩৫), রাতুল (১৮), সুমন (৩৮), লালন (৩৮), সৈকত (৩২), সিয়াম (২৯), মামুন (১৯) ও অহিদুল ইসলাম (২৪)। তারা সকলেই মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা মাওয়া ঘাট এলাকায় খাওয়া-দাওয়া শেষে ভোরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মিছিল করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক কারবারি পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে একটি আলমারির ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। কিন্তু একটি ভুলের কারণে তার শেষ রক্ষা হয়নি। পাবলিক ওয়াইফাইয়ে সংযুক্ত হয়ে থাকার ফলে পুলিশ তার অবস্থান চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়। পরে ওই আলমারির ভেতর থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩৪ বছর বয়সী জোয়েল লুইস উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের ওয়েম্বলির বাসিন্দা। তিনি উত্তর কিলবার্ন এলাকায় কোকেন ও হেরোইন সরবরাহের জন্য ‘ববি’ নামক মাদক কারবার পরিচালনা করছিলেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ‘দ্য মেট্রো’র বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজন শিশুর কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ফোন পরীক্ষা করার পর পুলিশ ওই মাদক কারবারের বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। লুইস নিজের অবস্থান গোপন রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন ডিভাইসে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন ব্যবহার করতেন।
তবে, যেখানে তিনি অবস্থান করছিলেন, সেখানে থাকা একটি ডিভাইস পাবলিক ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরপর ৭ জুলাই ওয়েম্বলির ওই ঠিকানায় পুলিশ তল্লাশি চালায়। গ্রেপ্তার এড়াতে লুইস একটি আলমারির ভেতরে লুকিয়ে পড়েন। কিন্তু পুলিশ দ্রুত তাকে খুঁজে বের করে। গ্রেপ্তারের সময় তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, “আপনারা আমাকে কিভাবে খুঁজে পেলেন?”
‘দ্য মেট্রো’ জানায়, লুইসের ফোন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তার কাছে থাকা প্রায় ২৫০ জন মাদক ব্যবহারকারীর তালিকা থেকে প্রতিদিন ১০০টিরও বেশি ফোনকল আসত। পুলিশ তার কাছ থেকে কোকেন ও হেরোইনসহ ‘ক্লাস এ’ মাদক উদ্ধার করে। এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ হাজার ৮০০ পাউন্ড।
এছাড়া, প্রায় ৮ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ এবং ছয়টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ফোনগুলোর মধ্যে একটি ‘ববি’ মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ওই বাড়ি থেকে একটি গুলিভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র, ৯ মিলিমিটারের ১৩টি গুলি, একটি ধারালো বড় ছুরি এবং একটি ভাঁজ করা ছুরিও উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, উত্তর কিলবার্ন এলাকায় মাদক পরিবহনে সহায়তার জন্য লুইস তরুণদের নিয়োগ করেছিলেন। এর ফলে তারা সহিংসতা, ভয়ভীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে পড়েছিল। তদন্তের নেতৃত্ব দেওয়া ডিটেকটিভ কনস্টেবল লরেন গ্রেস্টি বলেন, মাদক সরবরাহের এ ধরনের কার্যক্রম তরুণ ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।
দ্য মেট্রো’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কিলবার্নে কোকেন ও হেরোইন সরবরাহের অপরাধে হ্যারো ক্রাউন কোর্ট লুইসকে ১২ বছর ৯ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বর্তমান মোদী সরকার খাবারের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক ও সামাজিক চিন্তাধারা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে ঘরের খাবার টেবিল পর্যন্ত এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে বিশ্বনেতাদের জন্য কেবল নিরামিষ মেনু পরিবেশন করাকে কেন্দ্র করে আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। ভারতের প্রখ্যাত সংবাদ মাধ্যম দ্য ওয়্যার এই সিদ্ধান্তের পেছনের রাজনীতি, সংবিধান এবং সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে পাঁচটি মূল বিষয় তুলে ধরেছে।
১. ব্রিকস নেতাদের জন্য নিরামিষ নৈশভোজ কেন উদ্বেগের বিষয়?
আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, অন্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আপ্যায়ন করার সময় তাঁদের রুচি ও বৈচিত্র্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তবে মোদী সরকার সেই জায়গায় নিজেদের ধর্মীয় ও সামাজিক পছন্দকে চাপিয়ে দিয়েছে। ভারতের সরকারি অর্থায়নে আয়োজিত আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে যখন মাছ, মাংস ও ডিম সম্পূর্ণরূপে বাদ দেওয়া হয়, তখন বিশ্বমঞ্চে ভারতকে একটি উচ্চবর্ণের ‘ব্রাহ্মণ্যবাদী’ ও ‘হিন্দুত্ববাদী’ নিরামিষাশী দেশ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। এটি ভারতের প্রকৃত সাংস্কৃতিক ও রন্ধনশিল্পের বৈচিত্র্যকে অস্বীকার করে এবং কূটনীতিকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির হাতিয়ারে পরিণত করে।
২. ভারত কি সত্যি একটি নিরামিষাশী দেশ?
ভারতের জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য জরিপ (এনএফএইচএস-৫) অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৮০% মানুষ (৮৩.৪% পুরুষ এবং ৭০.৬% নারী) কোনো না কোনো ধরনের প্রাণীজ প্রোটিন বা আমিষ খাবার খান। দলিত, আদিবাসী, অনগ্রসর শ্রেণী, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখসহ উত্তর-পূর্ব ভারত, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং দক্ষিণের উপকূলীয় রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে মাছ, মাংস ও ডিম অপরিহার্য। ফলে, একটি নিরামিষাশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের আত্মপ্রকাশ বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীত।
৩. খাবারের পেছনে কি জাত ও ধর্মের রাজনীতি রয়েছে?
ভারতে ‘বিশুদ্ধ নিরামিষ’ ধারণার সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে জাতপ্রথা এবং সামাজিক বৈষম্য। ইতিহাসজুড়ে উচ্চবর্ণের হিন্দুরা নিরামিষকে পবিত্র ও আধ্যাত্মিক এবং আমিষকে ‘অসংযত’ ও ‘নিম্নবর্ণের’ প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে অস্পৃশ্যতা বজায় রেখেছে। রাষ্ট্র যখন এই ধারণাকে উৎসাহিত করে, তখন আমিষভোজী বিপুল জনগোষ্ঠীকে সামাজিকভাবে খাটো করা হয়। এর প্রভাবে বিভিন্ন স্থানে মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, স্কুলের মিড-ডে মিল থেকে ডিম বাদ দেওয়া এবং গো-রক্ষার নামে সংখ্যালঘু ও দলিতদের ওপর সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটছে।
৪. এর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব কী?
গবাদিপশু কেনাবেচায় কড়াকড়ি, মাংস বিক্রিতে বাধা এবং গো-রক্ষকদের তাণ্ডবের কারণে দেশের চামড়া, ডেইরি এবং মাংস শিল্প চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে লাখ লাখ প্রান্তিক কৃষক, কসাই, মৎস্যজীবী, পরিবহন শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর। এছাড়া, বিশ্ব দরবারে ভারতীয় খাবারের বিশাল মাংস ও সামুদ্রিক খাবারের ঐতিহ্যকে চেপে রেখে কেবল নিরামিষ প্রচার করায় পর্যটন ও রন্ধনশিল্প রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পুষ্টির দিক থেকেও শিশুদের প্রয়োজনীয় প্রোটিন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
৫. কেবল নিরামিষ প্রচার কি সংবিধান পরিপন্থী?
ভারতের সংবিধান সরকারকে নির্দিষ্ট কোনো খাবার পরিবেশনে বাধ্য করে না, তবে এটি নিরামিষকে অন্য সব খাবারের চেয়ে উচ্চমর্যাদা দেওয়ার অধিকারও দেয় না। সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজ পছন্দের খাবার খাওয়ার অধিকার মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অংশ এবং ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদ আঞ্চলিক সংস্কৃতি রক্ষার নিশ্চয়তা দেয়। করদাতাদের টাকায় পরিচালিত একটি সরকার যখন নিরামিষকে একমাত্র 'জাতীয় আদর্শ' হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তখন তা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ও বহুত্ববাদী সাংবিধানিক কাঠামোর পরিপন্থী হয়ে দাঁড়ায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র্যালি আয়োজন করেছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যরা।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মোহনপুর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহকারী পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিবের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোহনপুর উপজেলার প্রধান বাজার, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং অন্যান্য এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন আনসার-ভিডিপির সদস্যরা। এ সময় মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধও ছিটানো হয়।
পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।
কর্মসূচির আওতায় কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে করণীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা আনসার-ভিডিপির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মন্তব্য করেছেন যে, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করা গেলে গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ