প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন মন্তব্য করেছেন, নগরের নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা সিডিএর মূল দায়িত্ব নয়। তিনি বলেন, সংস্থাটির প্রধান দায়িত্ব হল অবকাঠামোগত উন্নয়ন। তবে জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বুধবার, নগরের বিভিন্ন জলাবদ্ধ এলাকা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে তিনি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই মন্তব্য করেন।
এ সময় চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং সিডিএর ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
সিডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিবর্তে জলাবদ্ধতা-সংক্রান্ত দায়িত্ব সিডিএকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিডিএর প্রয়োজনীয় জনবল নেই। তাই সেনাবাহিনীর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি জানান, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাতের পরেও নগরের বহু এলাকায় দ্রুত পানি নেমে যাচ্ছে। সিডিএর আওতাধীন ৩৬টি খালের মধ্যে ৩০টির কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট পাঁচটি খালের কাজ ৯৮ শতাংশ এবং হিজড়া খালের কাজ ৬৮ শতাংশ অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বেলায়েত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৯টি রেগুলেটরের কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে সব রেগুলেটর সচল নয়। বুধবার বিকেল থেকে এসব রেগুলেটরের দায়িত্ব সেনাবাহিনী গ্রহণ করবে। যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় রেগুলেটর বা পাম্প অচল থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ড্রেনে পলিথিন, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই নাগরিকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। দোষারোপের রাজনীতি পরিহার করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম ওয়াসা, সিডিএ এবং সেনাবাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতাও কামনা করেন সিডিএ চেয়ারম্যান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন