প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামে শিশুর (৯) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতার পিটুনিতে এক সন্দেহভাজন নারীর মৃত্যু ঘটে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে পুলিশ দুটি মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
নিহত শিশুর নাম ফারজানা সুলতানা, ঠাকুরগাঁও উপজেলার কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামের লতিফ উদ্দিনের কন্যা। সে কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
স্থানীয় প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা গেছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফারজানা তার দিনসন্ধ্যা বিদ্যালয়ে যায়। বিদ্যালয়ের ছুটি হওয়ার পরও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দীর্ঘ সময় পরেও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ার পর তারা কালিগঞ্জ থানায় বিষয়টি জানান। পরে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে খুঁজে বের করার অভিযান শুরু করে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রেতা আমিরুল ইসলামের স্ত্রী সুমাইয়া (২৬) এর বসতঘর থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ক্ষুব্ধ জনতা সুমাইয়াকে পিটুনি দেয়। ফলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটির কানে থাকা স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনও পুলিশ কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন