প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যৌতুক মামলা সম্পর্কিত ঘটনায় বর্তমানে জেলে থাকা প্রিন্স মামুন, যিনি আসল নাম আবদুল্লাহ আল মামুন, এবার আত্মহত্যার চেষ্টা মামলায় আইনি জটিলতায় পড়ছেন। প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি ফেসবুকে লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাকে আত্মহত্যার চেষ্টা মামলায় আটক করার জন্য শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করেছে পুলিশ।
প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে এই মামলা গত ২৪ জুলাই রাত অনুমান ১২টার দিকে রাজধানীর ভাটারা এলাকার বাসায় ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় দায়ের করা হয়। লাইভে ঘটনাক্রমে তিনি জানান, নিজের বেডরুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বাদীর ব্যবহৃত শাড়ি প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, এর জন্য বাদী মোহনা ও তার পরিবারের সদস্যরা দায়ী থাকবে।
এ ঘটনার পর বাদী মোহনা, তার মা, স্বজন এবং মামুনের বাবা-মা দ্রুত ব্যবস্থা নেন এবং তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
এই ঘটনার পর মোহনা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় আরেকটি মামলাও দায়ের করেন। এর আগে ২৪ জুলাই সকালেই ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও নির্যাতন করার অভিযোগে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন মোহনা, যার ফলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং অর্থের দাবির মামলায় আদালতে পাঠানো হয়।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই দিনে গভীর রাতে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় মামুনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা অনুযায়ী, আত্মহত্যার চেষ্টা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যদি অপরাধ প্রমাণিত হয়, তবে আসামির সর্বোচ্চ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াউর রহমান মামুনকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছেন। মামুনের আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রয় জানান, ‘ভিডিওতে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি স্পষ্ট এবং দেশের আইনে এর বিরুদ্ধে মামলা হওয়া স্বাভাবিক। তবে শুনানির দিন আমরা আদালতে আবেদন করব যেন প্রিন্স মামুনকে এই মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট না দেখানো হয়।’
অন্যদিকে, মামলার বাদী আতিকিয়া ফাইজা মোহনা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পরোকালাপ করা থেকে বিরত থাকেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন