প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে চলমান ‘সংবেদনশীল সামরিক অভিযান’ সাময়িকভাবে স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে।
শনিবার ইসরায়েলি গণমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’ সংবাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন যখন ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, ঠিক তখনই এক মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের দু’টি পাইলট জোনের (পরীক্ষামূলক এলাকা) প্রথমটির থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হতে যাচ্ছে।
গত মাসে ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি রূপরেখা চুক্তির অংশ হিসেবে জেরুজালেম দক্ষিণ লেবাননের দু’টি ছোট এলাকা থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়েছে। হিজবুল্লাহর অবকাঠামো থেকে মুক্ত করা এসব এলাকায় পরবর্তীতে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর (এলএএফ) সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
ঐ চুক্তির পর দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও, ইসরায়েলি বাহিনী এখনো পাইলট জোন হিসেবে চিহ্নিত দুটি এলাকাতেই অবস্থান করছে।
যুক্তরাষ্ট্র আগামী সপ্তাহে রোমে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে পরবর্তী দফার আলোচনার সময়সূচি নির্ধারণ করেছে- যেখানে পক্ষগুলো মূল চুক্তির ওপর ভিত্তি করে আরও অগ্রগতি নিশ্চিত করবে। তবে, এই বিষয়ে অবগত একজন আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৈরুত (লেবানন সরকার) স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে ইসরায়েল সম্মত সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন না করা পর্যন্ত তারা এই আলোচনায় অংশ নেবে না।
পাইলট জোন থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইসরায়েলকে রাজি করাতে মার্কিন চাপ কিছুটা হলেও ইতিবাচক, যদিও সীমিত অগ্রগতি এনেছে।
ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথম পাইলট জোনের কার্যক্রম আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হবে এবং পরবর্তী পাইলট জোনগুলোর মানচিত্র তৈরি ও পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে উভয় দেশের সাথে সমন্বয় করছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।’
আরব কর্মকর্তা জানান, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড প্রথমে প্রথম পাইলট জোনটিকে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (এলএএফ) মোতায়েনের জন্য উপযুক্ত বলে ঘোষণা করবে এবং এর পরপরই সেখানে থেকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) পিছু হটবে।
‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যে’ বলা হলেও, এই প্রথম সেনা প্রত্যাহারের সঠিক সময়সীমা সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হয়নি। অপরদিকে, দ্বিতীয় পাইলট জোন থেকে সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা আরও অস্পষ্ট রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন