প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকায়, শান্তা রানী দাস (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তবে নিহতের পরিবার দাবি করেছে যে, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ময়নাতদন্ত পরিচালনার পর মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মরদেহ উদ্ধার হতে পারে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের নাথ পাড়ার গণেশের বাড়ি থেকে।
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ফাজিলের ঘাট এলাকার জেলে বাড়ির অধিবাসী ও নিহতের বাবা অনন্ত জলদাস জানান, চার বছর পূর্বে শান্তাকে পারিবারিকভাবে সুবর্ণচর উপজেলার পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের নাথ পাড়ার গণেশের বাড়ির নিমাই দেব নাথের ছেলে বাপ্পী দেব নাথের (২৯) সাথে বিয়ে দেওয়া হয়। তাদের ১৮ মাস বয়সী এক কন্যাসন্তানও রয়েছে, যার নাম বর্ষা দেব নাথ। বাপ্পী এক সময় চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তার এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠে। চট্টগ্রাম থেকে চাকরি ছেড়ে আসার পরও ওই নারীর সাথে তার যোগাযোগ ছিল।
এ নিয়ে সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয় এবং বাপ্পী শান্তাকে মারধর করেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ঝগড়ার পর শান্তা রাতের বেলায় স্বামীর জেঠা গণেশের ঘরে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে সেখানে থেকে শান্তাকে নিয়ে গিয়ে, দুপুর ১১টার দিকে বাপ্পী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করতে চেষ্টা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে, অভিযুক্ত বাপ্পী দেব নাথের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। বুধবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন