প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রাম- ৯ আসনের সংসদ সদস্য এবং চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক।
তিনি উল্লেখ করেন, শত বছরের পুরনো এই হাসপাতাল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হলেও এর চিকিৎসক, জনবল, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। হাসপাতাল আধুনিকায়ন এবং চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
আবু সুফিয়ান আরও বলেন, ইনডোর ও আউটডোরে রোগীরা যেন কাঙ্খিত সেবা পেতে পারেন সে বিষয়ে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রোগীদের সেবাদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। হাসপাতালের কারো বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসূতি সেবা উন্নত করার প্রস্তাব করে আবু সুফিয়ান বলেন, হাসপাতালের অবকাঠামোগুলো শত বছরের পুরনো হওয়ায় মেরামত করলেও কাজ টেকসই হচ্ছেনা। নতুন ভবন নির্মাণ এবং মেরামত কাজের প্রস্তাব পেয়েছি। অচিরেই অর্থমন্ত্রী মহোদয় হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন। নতুন ভবন নির্মাণসহ যাবতীয় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সভাকক্ষে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ও সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেন, হাসপাতালের সমস্যা আছে বলেই আমরা আছি। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকল সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ необходимо। যাতে এক ভবনেই সকল চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ একরাম হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. সাইফুদ্দিন মো. তারেক, সাংবাদিক মিঞা মো. আরিফ, অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, মো. আনামুল হক ইকবাল, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, ডা. হোসনা আরা বেগম, মিজ মঞ্জু রানী দাশ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জনবল বৃদ্ধি, নতুন ভবন নির্মাণ, এনআইসিউ স্থাপন, প্রসূতি সেবা বৃদ্ধি, মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা চিকিৎসা সেবা কর্ণার চালু করা এবং গরীব অসহায়দের জন্য এনআইসিইউ ওয়ার্ড করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন