প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনের ঘটনাটি ছিল উইকেটে পতনের মিছিল। দুই দলের ১৮ উইকেটের পতনের দিনে ব্যাট হাতে বাংলাদেশের অবস্থা ছিল চরম বিপর্যয়কর, তবে বল হাতে তারা দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচে নিজেদের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে।
টস হেরে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মারাত্মক বিধ্বংসী বোলিংয়ের সম্মুখীন হয়ে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। একপর্যায়ে তারা ১২ রানে ৫ উইকেট হারায়, কিন্তু শরীফুল ইসলাম ও তাইজুল ইসলামের ২৫ রানের জুটিতে তারা কিছুটা লড়াইয়ের পুঁজি সংগ্রহ করে।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেছেন শরীফুল। এই ইনিংসে তাইজুল ইসলামের ব্যাট থেকে এসেছে ১১ রান, যা অপরাজিত রয়ে গেছে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে স্টার্ক মাত্র ১২ রান খরচ করে ৬টি উইকেট নেন। প্যাট কামিন্স তিনটি এবং জশ হ্যাজলউড একজন উইকেট নেন।
অস্ট্রেলিয়ার জবাব দিতে যাওয়ার সময়, তাদের শুরুটা ভাল হয়েছিল না। তাসকিন আহমেদ প্রথম আঘাত হানেন ম্যাট রেনশকে ফিরিয়ে। এরপর শরীফুল ইসলাম একে একে ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে ফিরিয়েও স্বাগতিকদের চাপে ফেলেন।
কিন্তু স্টিভ স্মিথ এবং ক্যামেরন গ্রিনের ৭৭ রানের জুটি বাংলাদেশকে আবারও চাপে ফেলে দেয়। পরে শরীফুল স্মিথকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন। এরপর অ্যালেক্স ক্যারিকে মিরাজ ফেরানোর পর শুরু হয় শরীফুলের শো।
বো ওয়েবস্টারকে এলবিডব্লিউ এবং প্যাট কামিন্সকে বাউন্সারের মাধ্যমে ক্যাচে পরিণত করে, মাত্র ছয় বলের মধ্যে তিনটি উইকেট তুলে নেন এই বাঁহাতি পেসার। এর ফলে, তিনি টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেটের দেখা পান। পরে দিনের শেষের দিকে মিচেল স্টার্ককেও ফিরিয়ে শরীফুল তার উইকেটের সংখ্যা ছয় পর্যন্ত নিয়ে যান।
দিন শেষে, অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ হলো ৩৫ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫১ রান। বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের লিড ৮৭ রান। অর্থাৎ, প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও শরীফুলের অসাধারণ বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিড খুব বেশি বড় হতে দেয়নি বাংলাদেশ।
একদিকে স্টার্কের ছয় উইকেট, অন্যদিকে শরীফুলের ছয় উইকেটের মধ্যে দুই বাঁহাতি পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম দিনেই টেস্টের উত্তেজনা বেড়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়ার হাতে মাত্র এক উইকেট থাকায়, দ্বিতীয় দিনে দ্রুত সেটি তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের লিড যতটা সম্ভব কম রাখা এখন বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন