প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে একটি চক্র ১০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংসদ সদস্য ইতোমধ্যে এই ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
শুক্রবার তিনি গোপনভাবে জিডি করেছেন। তবে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তিনি বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে তার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে ঋণ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তাবনায় একশত কোটি টাকা ঋণ হিসেবে নেওয়ার জন্য আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে একটি অঙ্গীকারনামা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে যে, একশত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে সংসদ সদস্য তার কোটার কাজ দিয়ে পরিশোধ করবেন। বিষয়টি জানার পর তিনি বা তার প্রতিনিধিরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছেন যে, তার স্বাক্ষর ব্যবহার করে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি চক্র।
প্রতারক চক্রের মাধ্যমে যাতে কোনো আর্থিক লেনদেন বা ঋণ অনুমোদন না হয়, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাল স্বাক্ষর ও কাগজপত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় জিডি করা হয়েছে।
সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক বলেন, তার স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি অবগত হয়েছেন। তিনি জানান, তার অনুমতি ছাড়া তার স্বাক্ষর ও পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ধরনের আর্থিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নেই। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার জন্য দাবি জানাচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান মন্তব্য করেছেন যে, কোনো জনপ্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে এত বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার চেষ্টা একটি গুরুতর প্রতারণার ঘটনা। এতে শুধু ব্যক্তির পরিচয় ও সুনাম ব্যবহার করা হয়নি বরং একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণার চেষ্টাও হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। খন্দকার আবু আশফাক বর্তমানে ঢাকা-১ আসনের (দোহার-নবাবগঞ্জ) সংসদ সদস্য এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ বলেছেন, এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে এবং অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর জানা যাবে এ ঘটনার সাথে কারা জড়িত এবং কি উদ্দেশ্যে সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন