প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্তমান সরকার পায়রা, মংলা এবং হিরণ পয়েন্টে নতুন তিনটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল করার পরিকল্পনা করছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন যে, ২০২৯ সালের মধ্যে এগুলো শেষ হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন।
বিদ্যুতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে আমরা সম্পূর্ণ ঘাটতির মধ্যে আছি। বর্তমানে রাতের বেলায় বিদ্যুতের ডিমান্ড বেশি, যার কারণ গরিবের টেসলা, এবং এটার বেশিরভাগ ইলিগ্যাল কানেকশন।
তিনি আরও বলেন, সরকার ওয়্যারলেস গতিতে কাজ করছে। কিন্তু কিছু বিষয় আমাদের হাতে নেই। আমরা দিনরাত এটার পেছনে কাজ করছি এবং শিগগিরই এর সমাধান করতে সক্ষম হব।
মন্ত্রী মন্তব্য করেন, আমরা এই বিষয়টি নিয়ে খুব সিরিয়াস, সরকার ইতোমধ্যে তিনবার শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে এবং চেষ্টা করছে কীভাবে এই সমস্যা থেকে বের হওয়া যায়। সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে স্থায়ী সমাধান করতে। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, "আপনারা আমাদের মোরাল সাপোর্টটা দেন তাহলে আমরা কাজ করতে সহজতর হব।"
সোলার ব্যবস্থার বিষয়েও তিনি বলেন, "যদি আমরা সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে আমাদের ঘাটতি অনেক কমে যাবে।" তিনি বলেন, "আমরা কোন জায়গা ছাড়ছি না। যেখানে যা সুযোগ, সম্ভাবনা আছে সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।"
মন্ত্রী আরও জানান, "যদি ইন্ডাস্ট্রি না চলে তাহলে ইকোনমিক গ্রোথ থাকবে না। আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি।"
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ মন্তব্য করেন, "আজকের সরকার অনেক কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেমন রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করবে। এতে দেখা যাবে মানুষের ইনকাম কমে যাবে। গ্যাসের কারণে এবং বিদ্যুতের কারণে ৩৫-৪০ শতাংশ উৎপাদন কমেছে, এর দায় কে নেবে?"
তিনি বলেন, "আজ বিদ্যুৎ নেই তবে আমার বিল দিতেই হচ্ছে, আমাকে কর্মীদের বেতন দিতে হচ্ছে, এই সব বিষয়ে আমাকে বাঁচাবে কে?"
আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী আরও বলেন, "সরকার আসবে যাবে তবে জনগণ বা ইন্ডাস্ট্রি suffers করবে, এটা হতে পারে না। আপনারা আমাদের সুবিধাগুলো এনসিওর করুন বা সমস্যার সমাধান করুন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন