প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী এবং নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার সীমানা ঘেঁষে বয়ে চলা আড়িয়লখাঁ নদে প্রায় ৩/৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অন্তত ১৮ থেকে ২০টি অবৈধ জালের বাঁধ দেওয়া হয়েছে। এসব জালের বাঁধ নদীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত আড়াআড়ি ভাবে স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে মাছের স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব জালে আটকা পড়ছে ছোট ছোট পোনা মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী। এর পাশাপাশি, নৌযান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উক্ত নদে বাঁশ, কাঠ ও বাঁশের বানা দিয়ে উঁচু কাঠামো তৈরি করে কারেন্ট জাল বসানো হয়েছে। জাল ফেলার অংশ ছাড়া নদে মাছের চলাচলের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও নদীর এক পার থেকে অন্য পার পর্যন্ত কারেন্ট জাল টানানো হয়েছে। এসব জালে দেশীয় প্রজাতির মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন জলজ প্রাণীও ধরা পড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব জালের কারণে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ছে। এর ফলে মাছের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে এবং দেশীয় প্রজাতির মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, জালের কারণে নদে আটকে থাকতে হচ্ছে মালবাহী নৌযানকেও।
এ ব্যাপারে কটিয়াদী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কাউসার মিয়া বলেন, "খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।" অপরদিকে, মনোহরদী উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাফি আফরোজ সনি জানান, "নতুন করে বিভিন্ন স্থানে জালের বাঁধ দেওয়ার বিষয়টি শুনেছি। শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, "প্রবাহমান নদে জালের বাঁধ আইনত নিষিদ্ধ। অবৈধ জালের বাঁধ থাকলে অভিযান চালানো হবে।" নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, "বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খুঁজছি, সত্যতা প্রমাণে আইনগতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন