প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব গত এক সপ্তাহের মধ্যে আবাসন, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ১৪ হাজার ৯৭০ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। স্থানীয় সময় রবিবার (২৬ জুলাই) সূত্র হিসেবে গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে, যা সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি থেকে পাওয়া।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে শুরু করে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের সংখ্যা ৭ হাজার ৪৩৭, সীমান্ত নিরাপত্তা লঙ্ঘনকারীদের সংখ্যা ৩ হাজার ৯৯১ এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনকারীদের সংখ্যা ৩ হাজার ৫৪২ রয়েছে। অন্যদিকে, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী আরো ১ হাজার ৬২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৬২ শতাংশ ইথিওপিয়ান, ৩৭ শতাংশ ইয়েমেনি এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছে।
এছাড়া, অবৈধভাবে দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করার সময় ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাসস্থান, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় প্রদান, নিয়োগ বা গোপন করার অভিযোগে আরও ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটি উল্লেখ করেছে যে, একই সময়ে ১৩ হাজার ২৫১ জনকে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং আরও ১৭ হাজার ৭৪৭ জনকে ভ্রমণের নথিপত্র সংগ্রহের জন্য তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এই বৈঠকের পরে, ৬ হাজার ১১৩ জনকে তাদের প্রস্থানের আগে ভ্রমণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
বর্তমানে, সৌদি আরবে ২৮ হাজার ৫৫৭ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৯৮৯ জন নারীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে, যার মোট সংখ্যা ৩০ হাজার ৫৪৬। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে অবৈধভাবে প্রবেশে সহায়তার জন্য ব্যক্তি ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানার শাস্তির সম্মুখীন হতে পারে। অপরাধের জন্য ব্যবহৃত যানবাহন বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে বারবার সতর্ক করে আসছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন