প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের পশ্চিম ও মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত মহারাষ্ট্র রাজ্যের অমরাবতী ও বর্ধা জেলায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা মানুষখেকো এক বাঘিনির মৃত্যু ঘটেছে। চারজনকে হত্যা করার পর বন দফতরের একটি বিশেষ দল বাঘিনিটিকে ঘুমপাড়ানি ওষুধ প্রয়োগ করে অচেতন করে ধরে ফেলে। তবে, পরে তার জ্ঞান আর ফিরে আসেনি। বাঘিনিটির মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখন রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার আনন্দবাজার ডট কমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগস্টের মাঝামাঝি সময় থেকে বাঘিনিটির হামলায় চারজনের মৃত্যু ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৭৭ বছর বয়সী একজন ব্যক্তি ১৭ আগস্ট, ৫৫ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি ২৭ আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরের ৬ ও ৭ তারিখে এক তরুণী ও এক কৃষক মারা যান।
এরপর বাঘিনিটিকে ধরতে বন দফতর ও মহারাষ্ট্র পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে। একটি বিশেষ দল গঠন করে তল্লাশি শুরু করা হয়। ড্রোনের সাহায্যে বাঘিনিটির অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়। অবশেষে সোমবার সিরাজগাঁও কসবায় বাঘিনিটির সন্ধান পাওয়া যায়। বন দফতরের বিশেষ দল সেটিকে ঘুমপাড়ানি ওষুধ প্রয়োগ করে অচেতন করে। পরিকল্পনা ছিল বাঘিনিটিকে নাগপুরের একটি বন্যপ্রাণী কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার। তবে, সিরাজগাঁও থেকে নাগপুর যেতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগায়, মাঝপথে বাঘিনিটির জ্ঞান ফেরানোর প্রয়োজন ছিল। এ কারণে প্রথমে কাছাকাছি একটি বন্যপ্রাণী কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে নেয়ার পরও বাঘিনিটির জ্ঞান ফেরেনি। পরে তার মৃত্যু ঘটে।
বাঘিনির মৃত্যুর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, কী কারণে সেটির মৃত্যু হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বন দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে, বাঘিনিটিকে অচেতন অবস্থায় জঙ্গল থেকে উদ্ধারের একটি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, জঙ্গলের মধ্যে পড়ে থাকা বাঘিনির মাথায় সাদা রঙের প্লাস্টিকজাতীয় কিছু রয়েছে। পরে বনকর্মীরা সেটিকে তুলে খাঁচায় নিয়ে যান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন