প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উজানের বৃষ্টি এবং ঢলের কারণে কুড়িগ্রামের সকল নদ-নদীর পানি দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষত তিস্তা নদীর পানি বাড়ানোর ফলে বিপদসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত নদীর পানি বৃদ্ধির প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র এবং দুধকুমার নদ অভ্যন্তরীণ নিম্নাঞ্চলে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) সকালে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার মাত্র ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে সেগুলো এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে।
এদিকে, পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে জেলার বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে জেলার প্রায় ৩৫টি স্থানে নদীভাঙন হচ্ছে। এর মধ্যে ২০টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন রোধের চেষ্টা করছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের শুলকুর বাজার এলাকার কৃষক এরশাদ আলী বলেন, গতকাল থেকে ধরলা নদীর পানি বাড়ছে। আমার এক বিঘা জমির সবজিক্ষেতে পানি উঠেছে। যদি পানি আরও বাড়ে, তাহলে আমার সব ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।
একই ইউনিয়নের কদমতলা এলাকার পটল চাষী আইনুল মিয়া জানান, এক বিঘা জমিতে তিনি পটলের আবাদ করেছেন। ফলন মোটামুটি ভালো হয়েছে এবং বাজারও ভালো। তবে বৃষ্টির কারণে ও ধরলার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় পটল ক্ষেত নিয়ে তিনি গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, আগামী পাঁচ দিন জেলার নদ-নদীর পানির আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনাও রয়েছে। পরিস্থিতির সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন