প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে মার্কিন বাহিনী ইরানে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। কিছুদিন আগে যুদ্ধ বন্ধের একটি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু এখন তা ভেঙে আবারও সংঘাতের দিকে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পর মার্কিন বাহিনী ইরানে বড় ধরনের আক্রমণ ঘটিয়েছে।
এদিকে, ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিতে তুরস্কে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখান থেকেই তিনি ইরানে এ হামলার নির্দেশনা প্রদান করেন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা精准 অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করেছে।
আক্রমণ করা লক্ষ্যবস্তুসমূহের মধ্যে রয়েছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার, জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ৬০টির বেশি ছোট নৌকা।
সোমবার এবং মঙ্গলবার ইরান হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা করে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথে সাধারণ নাবিকদের ওপর ইরানের এই হামলার জবাবে আমেরিকা এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। সেন্টকম একে 'শক্তিশালী হামলা' উল্লেখ করেছে।
সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, ট্রাম্প আঙ্কারায় তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইনের সঙ্গে বৈঠক করে হামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই হামলা কতক্ষণ চলবে তা পরিষ্কার নয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সামরিক এই জবাব প্রদানের ঠিক আগেই মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের তেল বিক্রির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা ছাড় বাতিল করেছে। এর ফলে তেহরানের ওপর চাপ আরও বাড়ানো হলো।
এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বুধবার ইসরায়েল সফরে যেতে পারেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের সঙ্গে কথা বলার কথা রয়েছে। ন্যাটোর সম্মেলনে ট্রাম্প তুরস্কে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির যে কথাটি বলেছিলেন, তা নিয়ে ইসরায়েল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উপরন্তু, রাতের এই হামলার পর তার সফরসূচি ঠিক থাকবে কিনা, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
গত ১৭ জুন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে দোহায় হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়। নতুন করে শুরু হওয়া এই হামলা সেই চুক্তিকে বড় হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন