প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের বিভিন্ন শহরের মতো ঢাকাও বেশ কিছুদিন ধরে বায়ুদূষণের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন রয়েছে। সম্প্রতি বায়ুর মান সূচকে শহরটির বাতাসের মানে কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও দূষণের চাপ পুরোপুরি দূর হয়নি।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, ঢাকার স্কোর ৭৭ হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে। এই স্কোরে বায়ুর মান ‘মাঝারি’ হিসাবে পরিগণিত হয়। একই সময়ে, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ২৮তম।
বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুসারে, যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজ থেকে নির্গত ধুলাবালি, ইটভাটা এবং শিল্পকারখানার নির্গমনই ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ। এসব খাতের দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বায়ুর মানের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে না। তাই সাময়িক উন্নতির চিত্র দেখা গেলেও, দীর্ঘমেয়াদে দূষণ কমানোর জন্য সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন।
একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৬১ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। এছাড়া, ১৬০ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা, ১৪৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা শহর, ১৪০ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর শহর এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা চীনের উহান শহরের স্কোর ১৩৯।
আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত ভালো হিসেবে গণ্য হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত এই স্কোরকে মাঝারি হিসেবে ধরা হয়, যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর অস্বাস্থ্যকর হিসাবে বিবেচিত। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে সেক্ষেত্রে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়。
এরপর, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এই অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভিতরে এবং অন্যান্যদের বাড়ির বাইরে কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন