প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউএস ওপেনে প্রথম রাউন্ডে অপ্রত্যাশিত বিদায়ের পর গতি ফেরানোর লক্ষ্যে ১১ বছর পর বেইজিংয়ের চায়না ওপেনে ফিরছেন ২৪ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী নোভাক জোকোভিচ।
নোভাক জোকোভিচ ১১ বছর পর চায়না ওপেনে ফিরে আসছেন। ২৪টি গ্র্যান্ড স্লামজয়ী এই সার্বিয়ান তারকা বুধবার জানান, তিনি বেইজিংয়ের এটিপি ৫০০ টুর্নামেন্টে আবারও অংশগ্রহণ করবেন। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১২ নম্বরে নেমে আসা এবং ইউএস ওপেনে প্রথম রাউন্ডে অপ্রত্যাশিত বিদায়ের পর নতুন করে ছন্দ ফেরানোর লক্ষ্য তাঁর।
চায়না ওপেনে জোকোভিচের রেকর্ড অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক। এই টুর্নামেন্টে তিনি ছয়বার অংশগ্রহণ করেছেন এবং প্রতিবারই শিরোপা জিতেছেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালে বেইজিংয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এটি ছিল চায়না ওপেনে তাঁর শেষ উপস্থিতি।
এবার ফেরার সিদ্ধান্তটি এসেছে ইউএস ওপেনে বড় ধাক্কার পর। নিউইয়র্কে প্রথম রাউন্ডে আনসিডেড আর্জেন্টাইন মারিয়ানো নাভোনের কাছে পাঁচ সেটে পরাজিত হন চারবারের ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন। ম্যাচের মাঝপথে তিনি বমিও করেন। শেষ দিকে পিঠ ও কাঁধের সমস্যায় তাঁর সার্ভিসেও প্রভাব পড়ে।
ওই হার জোকোভিচের জন্য একটি বিরল ঘটনা ছিল। ২০০৬ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের পর এই প্রথম কোনো গ্র্যান্ড স্লামে প্রথম রাউন্ডে বিদায় নেন তিনি।
তবে সেই হতাশা পেছনে ফেলে বেইজিংয়ে ফিরতে মুখিয়ে আছেন জোকোভিচ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘ন্যাশনাল টেনিস সেন্টারে আপনাদের সামনে আবার খেলতে এবং পারফর্ম করতে আমি রোমাঞ্চিত। এটি টেনিসের সবচেয়ে সুন্দর ভেন্যুগুলোর একটি।’
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে একসময় দীর্ঘদিন শীর্ষে থাকা জোকোভিচ বর্তমানে ১২ নম্বরে অবস্থান করছেন। চায়না ওপেন হতে পারে সেই অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর আরেকটি সুযোগ। বেইজিংয়ের কোর্টে তাঁর পুরোনো সাফল্যও আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে।
চায়না ওপেনের পুরুষদের মূল পর্ব ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর টুর্নামেন্টের পুরুষ এককের শিরোপা জিতেছিলেন বর্তমান বিশ্বনম্বর ওয়ান ইয়ানিক সিনার।
জোকোভিচের জন্য বেইজিংয়ে ফেরাটা তাই শুধু দীর্ঘ বিরতির অবসান নয়, ইউএস ওপেনের হতাশা কাটিয়ে আবারও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টাও।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন