বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৯ এম
৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এতে ১ হাজার ৭০২ জনের নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত গেজেটটি প্রকাশ করা হয়।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২২-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের পত্রের সুপারিশক্রমে ১ হাজার ৭০২ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুসারে ৯ম গ্রেডে (৪৪,০০০-১,০৫,৯০০/-) শর্তসাপেক্ষে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
সুপারিশপ্রাপ্তদের বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২২-এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের মুক্তিযোদ্ধার সনদ পরবর্তী যাচাই-বাছাইকালে মিথ্যা বা জাল প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নিয়োগ বাতিল হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে বলেও গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, গেজেটে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী স্বাধীনভাবে নতুন জীবন শুরু করার স্বপ্ন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল। বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে তারা প্রথমে ঢাকায় পৌঁছায়। সেখানে বাসা ভাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চলে যায়। পরবর্তীতে এক অটোরিকশাচালকের সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এসব তথ্য তুলে ধরেন।
পুলিশ সুপার জানান, উদ্ধার হওয়া চার ছাত্রীর মধ্যে তিনজন পঞ্চম শ্রেণির এবং একজন তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হলেও তারা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়নি। বিষয়টি জানার পর পুলিশ তাদের খোঁজে অনুসন্ধান শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন থানায় তাদের ছবি ও পরিচয় পাঠানোর পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানা-পুলিশের সহায়তায় সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মুঠোফোন ব্যবহার করত। টিকটকে ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে কয়েকজন তরুণের সঙ্গে তাদের পরিচয় ও সখ্য গড়ে ওঠে। নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা থেকেই তারা বাড়ি ছাড়ে। তবে যাদের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করত, তাদের প্রকৃত ঠিকানা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট ধারণা ছিল না।
বাড়ি ছেড়ে প্রথমে ঢাকায় গিয়ে বাসা ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করে তারা। কিন্তু বাসা ভাড়া না পেয়ে পরে তাদের একজনের দাদাবাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেখানে রাতে ঠিকানা খুঁজতে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করার সময় তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয় এক অটোরিকশাচালকের। পরে তিনি পুলিশকে খবর দিলে তাদের উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, বাড়ি ছাড়ার সময় শিক্ষার্থীরা পরিবারের মূল্যবান জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়েছিল। তাদের একজন পরিবারের একটি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন কুমিল্লার টাউন হল মার্কেটের একটি দোকানে চার হাজার টাকায় বিক্রি করে। পরে পুলিশ ফোনটি উদ্ধার করে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিভাবকদের সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। থানায় করা সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলাম মা-বাবার প্রতি সর্বোত্তম আচরণ করার নির্দেশনা প্রদান করেছে। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াত ও অসংখ্য হাদিসে মা-বাবার প্রতি আনুগত্য এবং সদাচার করার নির্দেশ রয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমার প্রতিপালক আদেশ দিয়েছেন—তিনি ছাড়া অন্য কারো ইবাদত না করতে এবং পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে। তাদের একজন অথবা উভয়েই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদেরকে উফ বোলো না এবং তাদেরকে ধমক দিয়ো না; তাদের সঙ্গে সম্মানসূচক কথা বোলো। মমতাবশে তাদের প্রতি নম্রতার পক্ষপুট অবনমিত কোরো এবং বোলো, হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।’ (সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত: ২৪)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সে অপমানিত হোক, সে অপমানিত হোক, সে অপমানিত হোক। জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহর রাসুল, কে? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তার মা-বাবার একজনকে অথবা উভয়কে বার্ধক্যে পেল, অথচ তাদের সেবা করে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৫৫১)
কোরআন ও হাদিসের এই শিক্ষা সাহাবায়ে কেরাম (রা.) জীবনে সবচেয়ে উত্তমরূপে ধারণ করেছিলেন।
সাহাবিদের অন্তরে মা-বাবার সম্মান
সাহাবায়ে কেরামদের (রা.) অন্তরে মা-বাবার প্রতি অপরিমেয় সম্মান ও ভালোবাসা বিদ্যমান ছিল। এই সম্পর্কিত অসংখ্য দৃষ্টান্ত হাদিস ও সিরাতের কিতাবে উল্লেখ রয়েছে। তার মধ্যে কিছু উল্লেখ করা হলো—
১. মায়ের সেবায় পাপমুক্তি : আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, ‘আমি একজন নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। সে আমাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেছে। পরে অন্য একজন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আমি তাকে বিয়ে করতে চাইতাম। তাই বিষয়টি আমার আত্মমর্যাদায় আঘাত করেছে এবং সেই পুরুষকে হত্যা করেছি। আমার জন্য কি তাওবার অবকাশ আছে?’ ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, ‘তোমার মা কি জীবিত আছেন?’ সে বলল, না। ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, ‘আল্লাহর কাছে তাওবা করো এবং যথাসম্ভব তাঁর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করো।’
আতা ইবনে ইয়াসার (রহ.) বলেন, ‘আমি ইবনে আব্বাস (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, এই ব্যক্তির মা আছে কি না?’ কেন জিজ্ঞাসা করলেন? তিনি উত্তর দিলেন, ‘মায়ের আনুগত্যের চেয়ে উত্তম কোনো নেক আমলের কথা আমার জানা নেই।’ (আত-তাবসিরা ফিল ওয়াজি : ১/১৮৭)
২. যে ঋণ শোধ হবে না : আবু বুরদা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি ও আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) তাওয়াফ করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁর মাকে পিঠের ওপর নিয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিল। আর বলছিল, ‘নিশ্চয়ই আমি তার অনুগত উট, তার বাহনগুলো ভীতসন্ত্রস্ত হলেও আমি ভীত হই না।’ লোকটি ইবনে উমর (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করল, ‘হে ইবনে উমর! আপনি কি মনে করেন, আমি কি আমার মায়ের প্রতিদান দিতে পেরেছি?’ তিনি বললেন, ‘না, তাঁর একটি দীর্ঘশ্বাসেরও নয়।’ (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ১১)
৩. মা! তোমার প্রতি সালাম : আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মারওয়ান তাঁকে (মদিনার প্রশাসক পদে) নিজের স্থলাভিষিক্ত করেছিলেন এবং তিনি তখন জুল-হুলায়ফা এলাকায় অবস্থান করতেন। তিনি একটি ঘরে বাস করতেন এবং তাঁর মা আর একটি ঘরে বাস করতেন। যখন তিনি ঘর থেকে বের হতেন তখন তাঁর মায়ের দরজায় দাঁড়িয়ে বলতেন, ‘মা! তোমার প্রতি শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।’
তাঁর মা বলতেন, ‘হে পুত্র! তোমার ওপরও শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।’ তিনি আবার বলতেন, ‘আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুন, যেভাবে আপনি আমার শৈশবকালে আমাকে লালন-পালন করেছেন।’ তাঁর মা বলতেন, ‘আল্লাহ তোমার প্রতিও দয়া করুন যেরূপ আমার বার্ধক্যে তুমি আমার প্রতি সদ্ব্যবহার করছ।’ অতঃপর তিনি যখন ঘরে প্রবেশ করতেন তখনো অনুরূপ বলতেন। (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ১২)
৪. মা-বাবাকে কষ্ট দেওয়া কবিরা গুনাহ : তাইসালা (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.)-কে বলতে শুনেছেন, পিতা-মাতাকে কাঁদানো এবং তাঁদের অবাধ্যাচরণ কবিরা গুনাহগুলোর অন্তর্ভুক্ত।(আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৩১)
৫. বাবার পেছনে পেছনে চলো : আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি দুই ব্যক্তিকে দেখে তাদের একজনকে জিজ্ঞাসা করেন, ইনি তোমার কী হন? সে বলল, তিনি আমার পিতা। তিনি বলেন, তাকে নাম ধরে ডেকো না, তার আগে আগে চলো না এবং তার আগে বসো না। (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৪৪)
আল্লাহ সবাইকে মা-বাবার আনুগত্য ও সেবা করার তাওফিক দিন। আমিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের তিনটি বিভাগে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
ঢাকায় পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীতে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৮ শতাংশ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৩৩ মিনিটে। শুক্রবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি খরচে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে আইনি সহায়তা গ্রহণ করেছে ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ জন মানুষ। এই সেবা আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, হেল্পলাইন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্যটি উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩১ হাজার ৪০৯ জন মানুষ সহায়তা গ্রহণ করেছে। দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ১৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬১৭ জন সেবা পেয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৬৫৮ জন মানুষ সহায়তা পেয়েছে।
এছাড়া, সরকারি আইনি সহায়তার জাতীয় হেল্পলাইন (টোল ফ্রি-১৬৬৯৯) কল সেন্টারের মাধ্যমে দুই লাখ ৭৪ হাজার ৭৯ জন সেবা গ্রহণ করেছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ফেসবুক এবং মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ৪৫৭ জন আইনি পরামর্শ পেয়েছে।
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ এবং বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য আইনি সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর আওতায় সরকারিভাবে এই সেবাগুলি প্রদান করা হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ